৩/১. অধ্যায়ঃ
যে কারণে ওজু করা ওয়াজিব হয় - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩২৭-[২৮]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩২৭-[২৮]
وَعَنْهُ قَالَ أُهْدِيَتْ لَه شَاةٌ فَجَعَلَهَا فِي الْقِدْرِ فَدَخَلَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فَقَالَ مَا هذَا يَا أَبَا رَافِعٍ فَقَالَ شَاةٌ أُهْدِيَتْ لَنَا يَا رَسُولَ اللهِ فَطَبَخْتُهَا فِي الْقِدْرِ قَالَ نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ يَا أَبَا رَافِعٍ؟ فَنَاوَلْتُهُ الذِّرَاعَ ثُمَّ قَالَ نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ الْاۤخَرَ فَنَاوَلْتُهُ الذِّرَاعَ الْاخَرَ ثُمَّ قَالَ نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ الْاخَرَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّمَا لِلشَّاةِ ذِرَاعَانِ فَقَالَ لَه رَسُولُ اللهِ ﷺ أَمَا إِنَّكَ لَوْ سَكَتَّ لَنَاوَلْتَنِىْ ذِرَاعًا فَذِرَاعًا مَا سَكَتَّ ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ فَتَمَضْمَضَ فَاهُ وَغَسَلَ أَطْرَافَ أَصَابِعِه ثُمَّ قَامَ فَصَلّى ثُمَّ عَادَ إِلَيْهِمْ فَوَجَدَ عِنْدَهُمْ لَحْمًا بَارِدًا فَأَكَلَ ثُمَّ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلّى وَلَمْ يَمُسَّ مَاءً. رَوَاهُ أَحْمَدُ
আবূ রাফি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাকে একটি বকরী হাদিয়্যাহ্ দেয়া হল এবং তিনি তা পাতিলে রান্না করলেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-তার কাছে এসে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, এটা কী, হে আবূ রাফি’? তিনি বললেন, আমাদেরকে একটি বকরী হাদিয়্যাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে, হে আল্লাহর রাসূল! পাতিলে তা পাক করেছি। তিনি (ﷺ) বললেন, হে আবূ রাফি’! আমাকে এর একটি বাজু দাও তো। আমি তাঁকে একটি বাজু দিলাম। এরপর তিনি (ﷺ) বললেন, আমাকে আরো একটি বাজু দাও। অতঃপর আমি তাঁকে আরো একটি বাজু দিলাম। এরপর তিনি (ﷺ) আবার বললেন, আমাকে আরো একটি বাজু দাও। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ রাসূল! একটি বকরীর তো দুইটি বাজু হয়। এটা শুনে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আহ! তুমি যদি চুপ থাকতে, তাহলে ‘বাজুর পর বাজু আমাকে দিতে পারতে, যে পর্যন্ত তুমি নিশ্চুপ থাকতে। এরপর রাসূল (ﷺ) পানি চাইলেন। তিনি (ﷺ) কুলি করলেন, নিজের আঙ্গুলের মাথা ধুয়ে নিলেন, অতঃপর সালাতে দাঁড়ালেন এবং সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি (ﷺ) আবার তাদের কাছে ফিরে এলেন। এবার তাদের কাছে ঠান্ডা গোশ্ত দেখতে পেলেন। তিনি (ﷺ) তা খেলেন, এরপর মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং সালাত আদায় করলেন। কিন্তু তিনি (ﷺ) পানি ব্যবহার করলেন না অর্থাৎ ওজু করলেন না। [১]
[১] য‘ঈফ : আহমাদ ২৬৬৫৪। কারণ এর সানাদে শুরাহবিল বিন সা‘দ নামে দুর্বল রাবী এবং আবূ জা‘ফার আর্ রাযী নামে মতবিরোধপূর্ণ রাবী রয়েছে। তবে ‘‘শামায়িল’’-এর তাহ্ক্বীক্বে ‘আল্লামা আলবানী (রহঃ) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
