১৭/০. অধ্যায়ঃ
চোরের হাত কাটা প্রসঙ্গ - প্রথম অনুচ্ছেদ
কাযী ’ইয়ায বলেন, চোরের হাত কাটার বিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলা মানুষের সম্পদকে হিফাযাত করেছেন। চুরি ব্যতীত অন্যভাবে সম্পদ হরণে, যেমন আত্মসাৎ করা, লুণ্ঠন করা ও ছিনতাই ইত্যাদি হাত কাটার বিধান রাখা হয়নি, কেননা এটা চুরির তুলনায় কম। কেননা এ প্রকার আত্মসাৎ বা লুণ্ঠন মাল ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব প্রকাশকের নিকট দরখাসেত্মর মাধ্যমে। আর এর উপর প্রমাণও সংগ্রহ করা সহজ তবে চুরির ক্ষেত্রে অত সহজ নয়, কেননা তা প্রমাণ করা খুব কমই হয়ে থাকে। ফলে বিষয়টি অনেক বড় এ শাস্তিও কঠিন যাতে তা হতে বিরত হওয়া অধিকতর ভূমিকা পালন করে।সার্বিকভাবে চোরের হাত কাটার ব্যাপারে সকল মুসলিমরা ঐকমত্য হয়েছেন। আর মতানৈক্য হয়েছে শাখা প্রশাখার ব্যাপারে। (শারহে মুসলিম)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৫৯১-[২]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৫৯১-[২]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَطَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَ سَارِقٍ فِي مِجَنٍّ ثَمَنُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ
ইবনু 'উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) একটি ঢাল চুরির অপরাধে এক চোরের হাত কেটে ছিলেন। যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা)।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৭৯৮, মুসলিম ১৬৮৬, আবূ দাঊদ ৪৩৮৫, নাসায়ী ৪৯০৮, আহমাদ ৪৫০৩।
