১৮/৪. অধ্যায়ঃ

বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - প্রথম অনুচ্ছেদ

’আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ বিচারকের নিকট যে মুকদ্দামাহ্ পেশ করা হয় তাকে বিচার বলে। আযহারী (রহঃ) বলেনঃ কোনো বিষয়ে বিচারকার্য শেষ করাকে কাযাউ বা বিচারকার্য বলা হয়।কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’আমি বনী ইসরাঈলের নিকট ফায়সালা করেছিলাম’’- (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭ : ৪)। হাকিম-কে কাযী বলা হয় এ কারণে যে, তিনি আইন-কানুন মেনে বিচার ফায়সালা করে থাকেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৭৫৮-[১]

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ لَادَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ وَلَكِنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَفِي «شَرْحِهِ لِلنَّوَوِيِّ» أَنَّهُ قَالَ: وَجَاءَ فِي رِوَايَةِ «الْبَيْهَقِيِّ» بِإِسْنَادٍ حَسَنٍ أَوْ صَحِيحٍ زِيَادَةٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مَرْفُوعًا: «لَكِنَّ الْبَيِّنَةَ على المدَّعي واليمينَ على مَنْ أنكر»

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন: লোকেদের কোনো দাবির ভিত্তিতেই যদি তাদের পক্ষে রায় দেয়া হয়, তাহলে অনেকেই পরস্পরের মধ্যে লোকেদের জান ও মাল (মিথ্যা দাবি করে) আত্মহরণ করতে থাকবে। এজন্য বিবাদীর ওপর কসম অবধারিত।তবে মুসলিম-এর শারহুন্ নাবাবীতে আছে, তিনি বলেন, বায়হাক্বীর বর্ণনাতে হাসান অথবা সহীহ সানাদ দ্বারা আরো অতিরিক্ত শব্দ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে মারফূ' সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আর তা হলো- সাক্ষ্য-প্রমাণ বাদী পক্ষ দাখিল করবে আর বিবাদী বা প্রতিপক্ষের ওপর কৃম অত্যাবশ্যকীয় হবে।

[১] সহীহ : মুসলিম ১৭১১, বুখারী ৪৫৫২, ইবনু মাজাহ ২৩২১, ইরওয়া ২৬৪১, সহীহ আল জামি‘ ৫৩৩৫।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন