১৮/৪. অধ্যায়ঃ
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - প্রথম অনুচ্ছেদ
’আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ বিচারকের নিকট যে মুকদ্দামাহ্ পেশ করা হয় তাকে বিচার বলে। আযহারী (রহঃ) বলেনঃ কোনো বিষয়ে বিচারকার্য শেষ করাকে কাযাউ বা বিচারকার্য বলা হয়।কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’আমি বনী ইসরাঈলের নিকট ফায়সালা করেছিলাম’’- (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭ : ৪)। হাকিম-কে কাযী বলা হয় এ কারণে যে, তিনি আইন-কানুন মেনে বিচার ফায়সালা করে থাকেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৭৬০-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৭৬০-[৩]
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ بِيَمِينِهِ فَقَدْ أَوْجَبَ اللَّهُ لَهُ النَّارَ وَحَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ» فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: وَإِنْ كَانَ شَيْئا يسير يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «وَإِنْ كَانَ قَضِيبًا من أَرَاك» . رَوَاهُ مُسلم
আবূ উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কসমের মাধ্যমে কোনো মুসলিমের হক আত্মসাৎ করলো, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত করে দিয়েছেন এবং তার জন্য জান্নাত হারাম করেছেন। অতঃপর জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি তা নগণ্য কিছু হয়? তখন তিনি (ﷺ) বললেন: যদিও তা পিলু গাছের একটি ডালও হয় ('পিলু' গাছ মিসওয়াক হিসেবে ব্যবহৃত হয়)।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৩৭, নাসায়ী ৫৪১৯, ইবনু মাজাহ ২৩২৪, সহীহ আল জামি‘ ৬০৭৬, সহীহ আত্ তারগীব ১৮৪১।
