১৮/৪. অধ্যায়ঃ
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - প্রথম অনুচ্ছেদ
’আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ বিচারকের নিকট যে মুকদ্দামাহ্ পেশ করা হয় তাকে বিচার বলে। আযহারী (রহঃ) বলেনঃ কোনো বিষয়ে বিচারকার্য শেষ করাকে কাযাউ বা বিচারকার্য বলা হয়।কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’আমি বনী ইসরাঈলের নিকট ফায়সালা করেছিলাম’’- (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭ : ৪)। হাকিম-কে কাযী বলা হয় এ কারণে যে, তিনি আইন-কানুন মেনে বিচার ফায়সালা করে থাকেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৭৬৮-[১১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৭৬৮-[১১]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَرَضَ عَلَى قَوْمٍ الْيَمِينَ فَأَسْرَعُوا فَأَمْرَ أَنْ يُسْهَمَ بَيْنَهُمْ فِي اليَمينِ أيُّهُمْ يحْلِفُ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(একদিন) নিশ্চয় নবী (ﷺ) এক গোত্রের ওপর কসম করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তারা সকলেই (ক্বসমের জন্য) স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এলো। অতএব তিনি তাদের মধ্যে কে কসম করবে, সে ব্যাপারে লটারী করার হুকুম দিলেন।
[১] সহীহ : বুখারী ২৬৭৪।
