২১/৩. অধ্যায়ঃ
পানীয় দ্রব্যের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
আল্ মুগরিব গ্রন্থকার বলেন : ফাই বলা হয় ঐ সম্পদকে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কোনো ভূমি যখন মুসলিমদের অধিকারে চলে যায় তখন এ ভূমিতে বসবাসকারী কাফিরদের কাছ থেকে যা গ্রহণ করা হয় তাই হলো ফাই। মাফাতীহ গ্রন্থকার বলেন : যুদ্ধ না করেই মুসলিমগণ কাফিরদের নিকট থেকে যে সম্পদ অর্জন করে তাকে ফাই বলা হয়। রসূলুল্লাহ (সাঃ) -এর জীবদ্দশাতে তিনি স্বীয় ইচ্ছা মতো ফাই এর মাল ব্যয় করার অধিকারী ছিলেন। তা থেকে নিজ পরিবারের জন্য ব্যয় করতেন। সেনাবাহিনী প্রস্তুত, মেহমানের মেহমানদারী করা এবং প্রতিনিধি দলের লোকেদের সম্মানার্থে ব্যয় নির্বাহ এ মাল থেকেই করতেন। পরবর্তীতে তা 'উমার (রাঃ) বায়তুল মালের অন্তর্ভুক্ত করে মুসলিমদের কল্যাণে ব্যয় করতেন। (মির্ক্বাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪২৬৫-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪২৬৫-[৩]
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ اخْتِنَاثِ الْأَسْقِيَةِ. زَادَ فِي رِوَايَةٍ: وَاخْتِنَاثُهَا: أَنْ يُقْلَبَ رَأْسُهَا ثُمَّ يُشْرَبَ مِنْهُ
আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মশক হতে ইখতিনাস করতে নিষেধ করেছেন। অপর এক রিওয়ায়াতের মধ্যে বর্ধিত আছে, ইখতিনাস হলো মশককে উল্টিয়ে ধরে তার মুখ হতে পানি পান করা।
[১] সহীহ : বুখারী ৫৬২৫, ৫৬২৬; মুসলিম (২০২৩)-১১০, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৩১৭, দারিমী ২১১৯, তিরমিযী ১৮৯০, ইবনু মাজাহ ৩৪১৮, আবূ দাঊদ ৩৭২০, সহীহুল জামি‘ ১২৮০৭, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২১২০, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১১২৬, মুসান্নাফ ‘আবদুর রায্যাক ১৯৫৯৯, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৪১২৭, তাহক্বীক মুসনাদে আহমাদ ১৯৯০৬, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ৯৯৬, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৫৫৭৬, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৫০৫৭, শু‘আবূল ঈমান ৬০১৬।
