২১/৩. অধ্যায়ঃ

পানীয় দ্রব্যের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ

আল্ মুগরিব গ্রন্থকার বলেন : ফাই বলা হয় ঐ সম্পদকে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কোনো ভূমি যখন মুসলিমদের অধিকারে চলে যায় তখন এ ভূমিতে বসবাসকারী কাফিরদের কাছ থেকে যা গ্রহণ করা হয় তাই হলো ফাই। মাফাতীহ গ্রন্থকার বলেন : যুদ্ধ না করেই মুসলিমগণ কাফিরদের নিকট থেকে যে সম্পদ অর্জন করে তাকে ফাই বলা হয়। রসূলুল্লাহ (সাঃ) -এর জীবদ্দশাতে তিনি স্বীয় ইচ্ছা মতো ফাই এর মাল ব্যয় করার অধিকারী ছিলেন। তা থেকে নিজ পরিবারের জন্য ব্যয় করতেন। সেনাবাহিনী প্রস্তুত, মেহমানের মেহমানদারী করা এবং প্রতিনিধি দলের লোকেদের সম্মানার্থে ব্যয় নির্বাহ এ মাল থেকেই করতেন। পরবর্তীতে তা 'উমার (রাঃ) বায়তুল মালের অন্তর্ভুক্ত করে মুসলিমদের কল্যাণে ব্যয় করতেন। (মির্ক্বাতুল মাফাতীহ)

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪২৭৩-[১১]

وَعَن أنسٍ قَالَ: حُلِبَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَاةٌ دَاجِنٌ وَشِيبَ لَبَنُهَا بِمَاءٍ مِنَ الْبِئْرِ الَّتِي فِي دَارِ أَنَسٍ فَأُعْطِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْقَدَحَ فَشَرِبَ وَعَلَى يَسَارِهِ أَبُو بَكْرٍ وَعَنْ يَمِينِهِ أَعْرَابِيٌّ فَقَالَ عُمَرُ: أَعْطِ أَبَا بَكْرٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَعْطَى الْأَعْرَابِيَّ الَّذِي عَنْ يَمِينِهِ ثُمَّ قَالَ: الْأَيْمَنُ فَالْأَيْمَنُ وَفِي رِوَايَةٍ: «الْأَيْمَنُونَ الْأَيْمَنُونَ أَلاَ فيَمِّنوا»

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য একটি গৃহপালিত বকরীর দুধ দোহন করা হলো এবং তাতে আনাস (রাঃ)-এর কূপের পানি মিশানো হলো। অতঃপর তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমাতে পেশ করা হল। তিনি ((ﷺ) তা পান করলেন। এ সময় তাঁর বাম পার্শ্বে ছিলেন আবূ বকর (রাঃ) এবং ডানে ছিল এক বেদুঈন। তখন 'উমার (রাঃ) বললেন : হে আল্লাহর রাসূল। (অবশিষ্ট) আবূ বকর (রাঃ)-কে প্রদান করুন। কিন্তু তিনি তাঁর ডান পার্শ্বের সে বেদুঈনকেই দিলেন। অতঃপর বললেন : ডানদিকের ব্যক্তিরই হাক্ব প্রথমে। অপর এক রিওয়ায়াতে বর্ণিত। ডানে যারা রয়েছে, তারপর ডানে যারা রয়েছে তারা হাক্বদার। সাবধান! ডান পার্শ্বওয়ালাদের অগ্রাধিকার দাও।

[১] সহীহ : বুখারী ২৩৫২, মুসলিম (২০২৯)-১২৫, সুনানুন্ নাসায়ী আল কুবরা ৬৮৬১, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৪১৯৫, মুসনাদে আহমাদ ১২০৭৭, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ৩৫৫২, দারিমী ২১১৬, তিরমিযী ১৮৯৩, ইবনু মাজাহ ৩৪২৫, আবূ দাঊদ ৩৭২৬, সহীহুল জামি‘ ২৮০৭, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৭৭১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৪২৮, মুসান্নাফ ‘আবদুর রায্যাক ১৯৫৮২, মুসনাদে আহমাদ ১২০৭৭, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৫০৬৩।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন