২৫/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৭৬-[১০] - সালাম ছাড়া অনুমতি নয়
আনুমতি প্রার্থনা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
অনুমতির আগে সালাম: ঘরে প্রবেশের মূল আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬৭৬-[১০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৭৬-[১০]
وَعَنْ جَابِرٌ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا تَأْذَنُوا لِمَنْ لَمْ يَبْدَأْ بالسلامِ» رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي «شعب الْإِيمَان»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি প্রথমে সালাম না করবে, তাকে তোমরা অনুমতি দেবে না।
[১] সহীহ : শু‘আবুল ঈমান ৮৮১৬, আবূ ইয়া‘লা ১৮০৯, য‘ঈফাহ্ ১৭৩৬ নং হাদীসের আলোচনা দ্রঃ।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৭৬-[১০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রথমে সালাম না করবে, তাকে তোমরা অনুমতি দেবে না। কথাটি সরাসরি এবং পরিষ্কার। ঘরে প্রবেশের আগে শুধু দরজায় দাঁড়ানো, নক করা বা পরিচিত হওয়া যথেষ্ট নয়; আগে সালাম দেওয়া উচিত। সালাম ঘরে থাকা ব্যক্তিকে নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে জানায় যে কেউ এসেছে। এর পর অনুমতি চাওয়া যায়। এই হাদিসে সালাম ও অনুমতিকে একসাথে শেখানো হয়েছে। ঘরের গোপনীয়তা, পরিবারের সম্মান এবং মানুষের ব্যক্তিগত সময়—এসব রক্ষা করতে এই আদব দরকার। তাই ঘরে ঢোকার আগে সালাম দেওয়া মুসলিম আচরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘরে প্রবেশের অনুমতির আগে সালাম দিতে হবে।
- সালাম ছাড়া অনুমতি চাওয়া অসম্পূর্ণ আদবের মতো।
- ঘরের মানুষের সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষায় সালাম গুরুত্বপূর্ণ।
