২৭/০. অধ্যায়ঃ
ফিতনা সম্পর্কিত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৩৯৩-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৩৯৩-[১৫]
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: وَاللَّهِ مَا أَدْرِي أَنَسِيَ أَصْحَابِي أَمْ تَنَاسَوْا؟ وَاللَّهِ مَا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ قَائِدِ فِتْنَةٍ إِلَى أَنْ تَنْقَضِيَ الدُّنْيَا يَبْلُغُ مَنْ مَعَهُ ثَلَاثَمِائَةٍ فَصَاعِدًا إِلَّا قَدْ سَمَّاهُ لَنَا بِاسْمِهِ وَاسْمِ أَبِيهِ واسمِ قبيلتِه. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد اسنادہ حسن ، رواہ ابوداؤد (4243) ۔ (ضَعِيف)
হুযায়ফাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর কসম! আমি বলতে পারি না যে, আমার বন্ধুগণ (সাহাবী কিরামগণ) কি আসলেই ভুলে গিয়েছেন? নাকি না ভুলেও ভুলার ভান করে আছেন? আল্লাহর শপথ করে বলছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন কোন ফিতনাকারীর আলোচনা অবশিষ্ট রাখেননি, যা ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আবির্ভূত হবে এবং তার সাথে উক্ত ফিতনাহ্ সৃষ্টিকারীদের সংখ্যা তিনশত বা তারও অধিক পর্যন্ত পৌঁছবে। বরং তিনি ঐ ব্যক্তির নাম, তার পিতার নাম এবং তার বংশ পরিচয়ও আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।
যঈফ: আবূ দাউদ ৪২৪১। কারণ সনদে ‘লাকবী’সহ মাজহুল, বলা হয়ে থাকে যে, তার নাম ইসহাক্ ইবনু কবীসাহ্ ইবনু যুআয়ব আল খুযা'ঈ আশ শামী সত্যবাদী, সে মুরসাল হাদীস বর্ণনাকারী। আওনুল মা'বুদ ১১/২০৭ পৃ., হা, ৪২৪৩।
