২৯/৭. অধ্যায়ঃ
মুজিযার বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) (مُعْجِزَاتِ)-এর পরিচয় সম্পর্কে বলেন, (مُعْجِزَاتِ) হলো নবীগণের সত্যতার প্রমাণ এবং রাসূলগণের বিভিন্ন নিদর্শন, যা অন্য কেউ দেখাতে অক্ষম। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৯০১-[৩৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৯০১-[৩৪]
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى قَدِمْنَا عُسْفَانَ فَأَقَامَ بِهَا لَيَالِيَ فَقَالَ النَّاس: مَا نَحن هَهُنَا فِي شَيْءٍ وَإِنَّ عِيَالَنَا لَخُلُوفٌ مَا نَأْمَنُ عَلَيْهِمْ فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا فِي الْمَدِينَةِ شِعْبٌ وَلَا نَقْبٌ إِلَّا عَلَيْهِ مَلَكَانِ يَحْرُسَانِهَا حَتَّى تَقْدَمُوا إِلَيْهَا» ثُمَّ قَالَ: «ارْتَحِلُوا» فَارْتَحَلْنَا وَأَقْبَلْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ فَوَالَّذِي يُحْلَفُ بِهِ مَا وَضَعْنَا رِحَالَنَا حِينَ دَخَلْنَا الْمَدِينَةَ حَتَّى أَغَارَ عَلَيْنَا بَنُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ غَطَفَانَ وَمَا يُهَيِّجُهُمْ قَبْلَ ذَلِكَ شَيْءٌ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ رواہ مسلم (475 / 1374)، (3336) ۔ (صَحِيح)
আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে মাক্কাহ্ হতে মাদীনার উদ্দেশে রওয়ানা হলাম। পরিশেষে আমরা ‘উসফান নামক স্থানে পৌঁছলে তিনি (ﷺ) এখানে কয়েকদিন অবস্থান করলেন। তখন লোকেরা (মুনাফিক্বগণ) বলল, এখানে অনর্থক আমাদের পড়ে থেকে কি লাভ? অথচ আমাদের পরিবার-পরিজন পিছনে রয়েছে। আমরা তাদের ক্ষেত্রে আশঙ্কামুক্ত নই। এ কথাটি নবী (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন, সে সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ! মাদীনার এমন কোন রাস্তা বা গলি নেই, যেখানে তোমাদের প্রত্যাগমন অবধি দু' দু'জন মালাক (ফেরেশতা) তাকে পাহারা দিচ্ছে না। অতঃপর তিনি (ﷺ) রওয়ানা হওয়ার নির্দেশ দিলেন। তাই আমরা রওয়ানা হয়ে মাদীনায় এসে পৌঁছলাম। সে সত্তার শপথ করে বলছি, যাঁর নামে শপথ করা হয়, আমরা মাদীনায় প্রবেশ করে তখনো আমাদের হাওদা খুলে মাল-সামান নামিয়ে রাখিনি, এমন সময় আকস্মাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু গাত্বফান বংশধরের অতর্কিত আমাদের ওপর আক্রমণ করে বসল। অথচ আমাদের প্রত্যাবর্তনের পূর্বে কিছুই তাদেরকে আক্রমণের জন্য উস্কানি দেয়নি।
সহীহ: মুসলিম ৪৭৫-(১৩৭৫), আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ১০২৭৪।
