২৯/৯. অধ্যায়ঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওফাত সম্পর্কে বর্ণনা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৯৬৯-[১৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৯৬৯-[১৪]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ [إِذَا جَاءَ نصر الله وَالْفَتْح] دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاطِمَةَ قَالَ: «نُعِيَتْ إِلَيَّ نَفْسِي» فَبَكَتْ قَالَ: «لَا تَبْكِي فَإِنَّكِ أَوَّلُ أَهْلِي لَاحِقٌ بِي» فَضَحِكَتْ فَرَآهَا بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْنَ: يَا فَاطِمَةُ رَأَيْنَاكِ بَكَيْتِ ثُمَّ ضَحِكْتِ. قَالَتْ: إِنَّهُ أَخْبَرَنِي أَنَّهُ قَدْ نُعِيَتْ إِلَيْهِ نَفْسُهُ فَبَكَيْتُ فَقَالَ لِي: لَا تبْكي فإِنك أوَّلُ أَهلِي لاحقٌ بِي فضحكتُ. وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا جَاءَ نصرُ الله وَالْفَتْح وَجَاءَ أَهْلُ الْيَمَنِ هُمْ أَرَقُّ أَفْئِدَةً وَالْإِيمَانُ يمانٍ وَالْحكمَة يَمَانِية» . رَوَاهُ الدَّارمِيّ سندہ حسن ، رواہ الدارمی (1 / 37 ح 80) ۔ (حسن)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ “যখন আসবে আল্লাহ্র সাহায্য ও (ইসলামের চূড়ান্ত) বিজয়”- (সূরাহ্ আন্ নাস্ ১১০ : ১) নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফাতিমা (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, আমাকে আমার মৃত্যুর সংবাদ দেয়া হয়েছে। এ কথা শুনে ফাতিমা (রাঃ) কেঁদে দিলেন। তখন তিনি ((ﷺ)) বললেন, তুমি কেঁদো না। কারণ আমার পরিবারের মাঝে তুমিই প্রথম আমার সাথে মিলিত হবে। তখন ফাতিমা (রাঃ) হাসলেন। ফাত্বিমাহ্ (রাঃ)-এর এ অবস্থা দেখে নবী (ﷺ)-এর কোন এক স্ত্রী প্রশ্ন করলেন, হে ফাতিমা! আমরা প্রথমে একবার তোমাকে দেখলাম কাঁদতে। আবার পরে দেখলাম হাসতে উত্তরে ফাতিমা (রাঃ) বললেন, প্রথমে তিনি আমাকে বলেছেন, ‘তাঁকে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ দেয়া হয়েছে।' তা শুনে আমি কেঁদেছি।অতঃপর তিনি ((ﷺ)) আমাকে বললেন, তুমি কেঁদো না। কারণ আমার পরিবারের মধ্য হতে তুমিই সর্বপ্রথম আমার সাথে মিলিত হবে। এ কথা শুনে আমি হাসলাম। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যখন আল্লাহর সাহায্য এসেছে এবং মাক্কার বিজয় হয়েছে এবং ইয়ামানবাসীগণ (ইসলাম গ্রহণ করে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে এসেছে, তারা কোমল অন্তরের অধিকারী, ঈমান ইয়ামানবাসীদের মাঝে এবং হিকমাতও ইয়ামানবাসীদের মাঝে রয়েছে।
সহীহ: দারিমী ৭৯, মুসনাদে আহমাদ ৪২৯৪, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ২০৬৪৬, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ৯৮২৭, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৮৮৩।
