৩০/৪. অধ্যায়ঃ
উমর ফারুক (রা:)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬০৩৬-[২]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৬০৩৬-[২]
وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: اسْتَأْذن عمر رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ نِسْوَةٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُكَلِّمْنَهُ وَيَسْتَكْثِرْنَهُ عَالِيَةً أَصْوَاتُهُنَّ فَلَمَّا اسْتَأْذَنَ عُمَرُ قُمْنَ فَبَادَرْنَ الْحِجَابَ فَدَخَلَ عُمَرُ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَضْحَكُ فَقَالَ: أَضْحَكَ اللَّهُ سِنَّكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ. فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَجِبْتُ مِنْ هَؤُلَاءِ اللَّاتِي كُنَّ عِنْدِي فَلَمَّا سَمِعْنَ صَوْتَكَ ابْتَدَرْنَ الْحِجَابَ» قَالَ عُمَرُ: يَا عَدُوَّاتِ أَنْفُسِهِنَّ أَتَهَبْنَنِي وَلَا تَهَبْنَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم؟ قُلْنَ: نَعَمْ أَنْتَ أَفَظُّ وَأَغْلَظُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِيهٍ يَا ابْنَ الْخَطَّابِ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا لَقِيَكَ الشَّيْطَانُ سَالِكًا فَجًّا قَطُّ إِلَّا سَلَكَ فَجًّا غَيْرَ فَجِّكَ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَقَالَ الْحُمَيْدِيُّ: زَادَ الْبَرْقَانِيُّ بَعْدَ قَوْلِهِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ: مَا أَضْحَكَكَ متفق علیہ ، رواہ البخاری (3683) و مسلم (22 / 2396)، (6202) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন উমর ইবনুল খত্ত্বাব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে (তাঁর কক্ষে) উপস্থিত হওয়ার অনুমতি চাইলেন। তখন কুরায়শ গোত্রের কতক মহিলা (নবীর বিবিগণ) তাঁর কাছে বসে কথাবার্তা বলছিলেন এবং তাঁরা অতি উচ্চৈঃস্বরে তাঁর কাছ থেকে অধিক (খোরপোষ) দাবি করছিলেন।যখন 'উমার ফারূক (রাঃ) অনুমতি চাইলেন, তখন মহিলাগণ উঠে জলদি পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। এরপর উমর ফারূক (রাঃ) প্রবেশ করলেন। তখন রাসূলূল্লাহ (ﷺ) হেসেছিলেন। উমর ফারূক (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা'আলা আপনাকে সদা খুশি রাখুন। (তবে আপনার হাসার কারণ কি?)তখন নবী (ﷺ) বললেন, আমি অবাক হয়েছি ঐ সকল মহিলাদের আচরণে, যারা এতক্ষণ আমার কাছে ছিল এবং তারা যখনই তোমার ধ্বনি শুনতে পেল, দ্রুত পর্দার আড়ালে চলে গেল। তখন উমর ফারূক (রাঃ) বললেন, ওহে স্বীয় জানের দুশমনেরা! তোমরা আমাকে ভয় কর, আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ভয় করো না?তারা উত্তরে বললেন, হ্যাঁ। তুমি যে অধিকতর রুক্ষ ও কঠোরভাষী। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে খত্ত্বাব-এর পুত্র! এদের কথা ছাড়। ঐ সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! শায়ত্বন তোমাকে যে পথে চলতে দেখতে পায, সে তোমার রাস্তা ছেড়ে অন্য রাস্তা অবলম্বন করে।হুমায়দী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : ইমাম বারক্বানী (রহিমাহুল্লাহ) বৃদ্ধি করেছেন, “হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)।” শব্দের পর কিসে আপনাকে হাসাচ্ছে?” বাক্যটিকে বলেছেন।"
সহীহ: বুখারী ৩৬৮৩, মুসলিম ২২-(২৩৯৬), মুসনাদে বাযযার ১১৮৪, মুসনাদে আহমাদ ১৬২৪, আবূ ইয়া'লা ৮১০, আস সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী ৮১৩০, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৮৭৮৩, আল মুসতাদরাক লিল হাকিম ৫৪২৪।
