৩০/৮. অধ্যায়ঃ
আলী ইবনু আবু তালিব-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬১০৬-[২০]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৬১০৬-[২০]
وَعَن عَليّ قَالَ: كَانَتْ لِي مَنْزِلَةٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ تَكُنْ لِأَحَدٍ مِنَ الْخَلَائِقِ آتِيهِ بِأَعْلَى سَحَرٍ فَأَقُولُ: السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ فَإِنْ تَنَحْنَحَ انْصَرَفْتُ إِلَى أَهْلِي وَإِلَّا دَخَلْتُ عَلَيْهِ. رَوَاهُ النَّسَائِيُّ اسنادہ حسن ، رواہ النسائی (3 / 12 ح 1214) [و ابن خزیمۃ (902)] ۔ (ضَعِيف)
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে আমার এমন একটি বিশেষ সম্মান ছিল, যা সৃষ্টিজীবের মধ্যে আর কারো জন্য ছিল না। আমি সাহরীর প্রথমভাগে তাঁর কাছে আসতাম এবং বাহিরে দাঁড়িয়ে বলতাম, السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ “হে আল্লাহর নবী! আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক”। অতঃপর যদি তিনি (সালামের জবাব না দিয়ে) গলা খাকরাতেন, তখন আমি স্বীয় গৃহে ফিরে চলে যেতাম (বুঝতাম, তিনি কোন কাজে ব্যস্ত আছেন, এখন প্রবেশের অনুমতি নেই) অন্যথায় তাঁর কাছে প্রবেশ করতাম।
সনদ যঈফ: নাসায়ী ১২১৩, কারণ ‘আলী (রাঃ) থেকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুজাই-এর শোনার ব্যাপারে সন্দেহ আছে, আন্ওয়ারুস্ সহীফাহ্ ৩৩০ পৃ.; আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ১১৩৭।
