৩০/১১. অধ্যায়ঃ
নবী-এর পবিত্র স্ত্রীগণের মর্যাদা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬১৮৬-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৬১৮৬-[৩]
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: مَا غِرْتُ عَلَى أَحَدٍ مِنْ نِسَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا غِرْتُ عَلَى خَدِيجَةَ وَمَا رَأَيْتُهَا وَلَكِنْ كَانَ يُكْثِرُ ذِكْرَهَا وَرُبَّمَا ذَبَحَ الشَّاةَ ثُمَّ يُقَطِّعُهَا أَعْضَاءً ثُمَّ يَبْعَثُهَا فِي صدائق خَدِيجَة فَيَقُول: «إِنَّهَا كَانَت وَكَانَت وَكَانَتْ وَكَانَ لِي مِنْهَا وُلْدٌ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (3818) و مسلم (75 / 2435)، (6278) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
খাদীজাহ্ (রাঃ)-এর প্রতি আমার যতটা ঈর্ষা হত, ততটা ঈর্ষা নবী (ﷺ)-এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি আমি পোষণ করতাম না। অথচ তাঁকে আমি দেখিনি। কিন্তু নবী (ﷺ) অধিকাংশ সময় তাঁর কথা আলোচনা করতেন। সচরাচর ছাগল যাবাহ করে তার বিভিন্ন অঙ্গ কেটে তা খাদীজাহ্ (রাঃ)-এর বান্ধবীদের কাছে (হাদিয়াস্বরূপ) পাঠাতেন। আমি কখনো কখনো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতাম, ‘মনে হয় যেন দুনিয়াতে খাদীজাহ্ ছাড়া আর কোন স্ত্রীলোকই নেই।' তখন তিনি উত্তরে বলতেন, 'নিশ্চয় সে এরূপই ছিল, এরূপই ছিল। আর তাঁর তরফ হতেই আমার সন্তান-সন্ততি রয়েছে।
সহীহ: বুখারী ৩৮১৮, মুসলিম ৭৪-(২৪৩৫), তিরমিযী ২০১৭, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৮৫৫১।
