৩০/১৪. অধ্যায়ঃ
ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস কারনি-এর আলোচনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের নামের তালিকা ইমাম বুখারীর আল জামি’-তে যেভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।(১) নবী মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ আল হাশিমী (সা.) (২) আবদুল্লাহ ইবনু উসমান আবূ বকর সিদ্দীক্ব আল কুরাশী, (৩) উমার ইবনুল খত্তাব আল ’আদাভী, (৪) উসমান ইবনু ’আফফান; নবী (সা.) তাঁকে তাঁর অসুস্থ কন্যা রুক্বাইয়্যাহ্ [উসমান (রাঃ)-এর স্ত্রী]-এর দেখাশুনার জন্য মদীনায় রেখে গিয়েছিলেন, কিন্তু [বদর] যুদ্ধলব্ধ মালের অংশ তাকেও দিয়েছিলেন, (৫) আলী ইবনু আবূ ত্বালিব আল হাশিমী, (৬) ইয়াস ইবনু বুকায়র, (৭) বিলাল ইবনু রবাহ আবূ বা সিদ্দীক (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম, (৮) হামযাহ্ ইবনু ’আবদুল মুত্ত্বালিব আল হাশিমী, (৯) হাত্বিব ইবনু আবূ বালতা’আহ- কুরায়শদের মিত্র, (১০) আবূ হুযায়ফাহ্ ইবনু ’উতবাহ্ ইবনু রবী’আহ্ আল কুরাশী, (১১) হারিসাহ্ ইবনুর রবী’ আল আনসারী- ইনি হারিসাহ্ ইবনু সুরাকাহ্ নামেও পরিচতি, তিনি বদর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন, তিনি এ যুদ্ধে পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন; (১২) খুবায়ব ইবনু ’আদী আল আনসারী, (১৩) খুনায়স ইবনু হুযাফাহ আস্ সাহমী, (১৪) রিফা’আহ্ ইবনু রাফি আল আনসারী, (১৫) রিফা’আহ্ ইবনু ’আবদুল মুনযির- আবূ লুবাবাহ্ আল আনসারী নামেও পরিচিত, (১৬) যুবায়র ইবনুল আওয়াম আল কুরাশী, (১৭) যায়দ ইবনু সাল আবূ ত্বলহাহ্ আল আনসারী, (১৮) আবূ যায়দ আল আনসারী, (১৯) সা’দ ইবনু মালিক আয যুহরী, (২০) সা’দ ইবনু খাওলাহ্ আল কুরাশী, (২১) সা’ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ’আমর ইবনু নুফায়ল আল কুরাশী, (২২) সাহল ইবনু হুনায়ফ আল আনসারী, (২৩) যুহায়র ইবনু রাফি আল আনসারী, (২৪) তাঁর ভাই, (২৫) ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’উদ আল হুযালী, (২৬) আবদুর রহমান ইবনু আওফ আয যুহরী, (২৭) ’উবায়দাহ্ ইবনুল হারিস আল কুরাশী, (২৮) ’উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত আল আনসারী, (২৯) আমর ইবনু আওফ- হালীফ বানী আমির ইবনু লুআয়ঈ-এর মিত্র, (৩০). ’উকবাহ্ ইবনু আমর আল আনসারী, (৩১) আমির ইবনু রবী’আহ আল ’আনাযী, (৩২) ’আসিম ইবনু সাবিত আল আনসারী, (৩৩) ’উওয়াইম ইবনু সা’ইদাহ্ আল আনসারী, (৩৪) ’ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী, (৩৫) কুদামাহ্ ইবনু মা’উন, (৩৬) কতাদাহ্ ইবনুন নু’মান আল আনসালী, (৩৭) মু’আয ইবনু আমর ইবনু জামূহ, (৩৮) মু’আব্বি ইবনু ’আফরা’, (৩৯) তাঁর ভাই, (৪০) মালিক ইবনু রবী’আহ্ আবূ উসায়দ আল আনসারী, (৪১) মিসত্বাহ ইবনু উসাসাহ্ ইবনু আব্বাদ ইবনুল মুত্তালিব ইবনু ’আব্দ মানাফ, (৪২) মুরারাহ্ ইবনু রবী’ আল আনসারী, (৪৩) মান ইবনু ’আদী আল আনসারী, (৪৪) মিকদাদ ইবনু ’আমর আল কিনদী- বান্ যুহরাহ্-এর মিত্র, (৪৫) হিলাল ইবনু উমাইয়্যাহ্ আল আনসারী।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬২৭৮-[২]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৬২৭৮-[২]
وَعَنْ رَجُلٍ مِنَ الصَّحَابَةِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: سَتُفْتَحُ الشَّامُ فإِذا خُيِّرْتم المنازلَ فِيهَا فَعَلَيْكُم بِمَدِينَة يُقَال لَهُ دِمَشْقُ فَإِنَّهَا مَعْقِلُ الْمُسْلِمِينَ مِنَ الْمَلَاحِمِ وَفُسْطَاطُهَا مِنْهَا أَرْضٌ يُقَالُ لَهَا: الْغُوطَةُ . رَوَاهُمَا أَحْمَدُ صحیح ، رواہ احمد (4 / 160 ح 17609 فیہ ابوبکر بن ابی مریم ضعیف و لحدیثہ شواھد عند ابی داود (4298) و سندہ صحیح) وغیرہ وبھا صح الحدیث ۔ (ضَعِيف)
জনৈক সহাবী হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : অদূর ভবিষ্যতে সিরিয়া বিজয় হবে। অতএব যখন তোমাদেরকে সে স্থানে অবস্থানের সুযোগ দেয়া হবে, তখন তোমরা ‘দামিশ্বক’ নামীয় শহরকেই গ্রহণ করবে। কারণ তা হবে যুদ্ধ হতে মুসলিমদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল এবং শামের তাঁবু। সেখানে আরেকটি মনোমুগ্ধকর স্থান রয়েছে, যার নাম হলো 'গূত্বাহ্'। [উক্ত হাদীস দু'টি ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেছেন]
য'ঈফ: মুসনাদে আহমাদ ১৭৫০৫; হাদীসটি য'ঈফ হওয়ার কারণ আবূ বাকর ইবনু আবূ মারইয়াম য'ঈফ।
