৪/১৩. অধ্যায়ঃ

রুকু - প্রথম অনুচ্ছেদ

রুকূ’ সালাতের অন্যতম রুকন যা কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মাতের ইজমা থেকে প্রমাণিত। রুকূ’র শাব্দিক অর্থاِلْاِنْحِنَاءُতথা মাথা ঝুকানো/নত করা এবং এর দ্বারা উদ্দেশ্য বিনয়ী হওয়া। বলা হয় কোন কোন তাফসীরকারকের মতে এ উম্মাতের জন্য ৩টি একটি (রুকূ’) বিশেষ বৈশিষ্ট্য। যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেন,وَارْكَعُوْا مَعَ الرَّاكِعِيْنَ’’তোমরা রুকূ’কারীদের সাথে রুকূ’ কর’’, আর এ বিষয়টি এজন্য যে, ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের সালাতে রুকূ’ নেই এবং রুকূ’ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার উম্মাতের জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য। আর রুকূ’ দ্বারা উদ্দেশ্য ’’সালাত’’। যেমন আল্লাহ বলেন,وَارْكَعُوْا مَعَ الرَّاكِعِيْنَ’’(হে মারইয়াম (আঃ)!) তুমি মুসল্লীদের সাথে সালাত আদায় কর’’- (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২: ৪৩)।প্রতি রাক্’আতে রুকূ’ হওয়ার হিকমাত হলো রুকূ’ই হচ্ছে সাজদার জন্য ভূমিকা স্বরূপ যা সর্বোচ্চ বিনয়। আর সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) দু’বার হওয়ার উদ্দেশ্য এর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয়। আবার অনেকে অন্য কথাও বলেছেন, তবে এ কথা সুস্পষ্ট এটি একটি ’ইবাদাত।

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৮৭৭-[১০]

وَعَنْ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ قَالَ كُنَّا نُصَلِّـي وَرَاءَ النَّبِيِّ ﷺ فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَهٗ مِنَ الرَّكْعَةِ قَالَ سَمِعَ اللّهُ لِمَنْ حَمِدَهٗ فَقَالَ رَجُلٌ وَرَاءَهٗ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ مَنِ الْمُتَكَـلِّمُ انِفًا قَالَ أَنَا قَالَ رَأَيْتُ بِضْعَةً وَثَلَاثِيْنَ مَلَكًا يَبْتَدِرُوْنَهَا أَيُّهُمْ يَكْتُبُهَا أَوَّلُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

রিফা‘আহ্ ইবনু রাফি' (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর পিছনে সালাত আদায় করছিলাম । তিনি যখন রুকূ’ হতে মাথা তুলে, “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বললেন (যে ব্যক্তি আল্লাহর হাম্‌দ ও সানা পাঠ করল আল্লাহ তা শুনলেন), তখন এক ব্যক্তি ‘বলল’ “রব্বানা- লাকাল হাম্‌দু হামদান কাসীরান ত্বইইয়্যিবাম মুবারকান্‌ ফীহ” – (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তোমার জন্য প্রশংসা, অনেক প্রশংশা, যে প্রশংসা শির্‌ক ও রিয়া হতে পবিত্র ও মুবারক) । সালাত শেষে নবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, এখন এ বাক্যগুলো কে পড়ল? সেই ব্যক্তি উত্তরে বলল, আমি, হে আল্লাহর রাসূল! তখন নবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি ত্রিশজনেরও অধিক মালাক দেখেছি এ কালিমার সাওয়াব কার আগে কে লিখবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া করছেন । [১]

[১] সহীহ : বুখারী ১০৬২, নাসায়ী ১০৬২, আবূ দাঊদ ৭৭০, তিরমিযী ৪০৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ১৯১০।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন