২২/৩১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৭২ - রমজানের আগে রোজা রাখার সীমা
রমাযান মাস আসার পূর্বেই সওম পালন শুরু করা
রমজানের আগে রোজা: নিয়মিত নফল সিয়ামের ব্যতিক্রম
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৭২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৭২
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْوَلِيدُ، عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَا تَقَدَّمُوا قَبْلَ الشَّهْرِ بِصِيَامٍ، إِلَّا رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صِيَامًا أَتَى ذَلِكَ الْيَوْمُ عَلَى صِيَامِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (ﷺ) বলেছেন: তোমরা রমজান মাস আসার পূর্বেই সাওম রাখবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি রাখবে, যে নিয়মিত সাওম পালন করত এবং যদিও তার নিয়মিত সাওম পালন করার দিনটি রমজান মাস আসার আগের দিন এসে যায়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রমজান মাস আসার আগে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা শুরু করার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, রমজানের আগে আগেভাগে সিয়াম রাখা যাবে না। তবে যিনি নিয়মিত কোনো নির্দিষ্ট দিনে নফল রোজা রাখেন, তাঁর সেই অভ্যাসের দিনটি রমজানের ঠিক আগে পড়ে গেলে তিনি রোজা রাখতে পারেন। এখানে মূল পার্থক্য হলো নতুন করে রমজানকে এগিয়ে এনে রোজা শুরু করা এবং আগে থেকেই চলমান নিয়মিত আমল ধরে রাখা। হাদিসটি কোনো ব্যক্তির সব নফল রোজা বন্ধ করার কথা বলে না; বরং নিয়মিত সিয়ামের ব্যতিক্রম নিজেই উল্লেখ করে। তাই রমজানের আগে রোজা, সন্দেহের দিন এবং নিয়মিত নফল সিয়ামের বিষয়ে এই ভারসাম্য মনে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানকে আগেভাগে শুরু করার মতো করে আগে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- আগে থেকেই নিয়মিত নফল রোজার দিন মিললে ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।
- নতুনভাবে রোজা শুরু করা ও নিয়মিত আমল চালিয়ে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য আছে।
