২২/৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০১ - ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবিহর ফজিলত
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ
তারাবিহ নামাজের ফজিলত: ঈমান ও সওয়াবের আশায় গুনাহ মাফ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২০১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২০১
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ الزُّهْرِيُّ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَحُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় তারাবীহর সালাত আদায় করবে তার আগের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় তারাবিহ নামাজের ফজিলত। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার আশা নিয়ে রমজানের রাতে সালাত আদায় করে, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এখানে শুধু রাত জাগা নয়, অন্তরের অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। কাজটি আল্লাহর নির্দেশ ও রাসূলের বাণী সত্য মনে করে করতে হবে। একই সঙ্গে মানুষের প্রশংসা, অভ্যাস বা দেখানোর উদ্দেশ্য নয়; সওয়াবের আশা আল্লাহর কাছেই রাখতে হবে। হাদিসটি রমজানের রাতকে ইবাদতের সুযোগ হিসেবে নিতে উৎসাহ দেয়। তাই তারাবিহকে কেবল একটি মৌসুমি রীতি না ভেবে মনোযোগ, বিশ্বাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে আদায় করা উচিত। হাদিসের ভাষায় ক্ষমার সুসংবাদ রয়েছে, যা একজন মুসলিমকে আশা ও আগ্রহ নিয়ে রাতের সালাতে দাঁড়াতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তারাবিহর সালাত ঈমানের সঙ্গে আদায় করা উচিত।
- ইবাদতে আল্লাহর সওয়াবের আশা রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
- রমজানের রাতের সালাত আগের গুনাহ ক্ষমার কারণ হতে পারে।
- তারাবিহকে লোকদেখানো নয়, আন্তরিক ইবাদত হিসেবে নেওয়া দরকার।
