৬/২৫. অধ্যায়ঃ
একই মাসে তিন হায়েয হলে। সম্ভাব্য হায়েয ও গর্ভধারণের ব্যাপারে স্ত্রীলোকের কথা গ্রহণযোগ্য।
لِقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى {وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ}.কারণ আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করেছেন: “তাদের পক্ষে বৈধ নয় গোপন রাখা যা আল্লাহ তাদের জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা আল-বাকারা ২/২৮)وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ وَشُرَيْحٍ إِنَّ امْرَأَةً جَاءَتْ بِبَيِّنَةٍ مِنْ بِطَانَةِ أَهْلِهَا مِمَّنْ يُرْضَى دِينُهُ أَنَّهَا حَاضَتْ ثَلَاثًا فِي شَهْرٍ صُدِّقَتْ وَقَالَ عَطَاءٌ أَقْرَاؤُهَا مَا كَانَتْ وَبِهِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ وَقَالَ عَطَاءٌ الْحَيْضُ يَوْمٌ إِلَى خَمْسَ عَشْرَةَ وَقَالَ مُعْتَمِرٌ عَنْ أَبِيهِ سَأَلْتُ ابْنَ سِيرِينَ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى الدَّمَ بَعْدَ قُرْئِهَا بِخَمْسَةِ أَيَّامٍ قَالَ النِّسَاءُ أَعْلَمُ بِذَلِكَ.‘আলী (রা.) ও শুরায়হ (রহ.) হতে বর্ণিত। যদি মহিলার নিজ পরিবারের দীনদার কেউ সাক্ষ্য দেয় যে, এ মহিলা মাসে তিনবার ঋতুবতী হয়েছে, তবে তার কথা গ্রহণযোগ্য হবে। ‘আত্বা (রহ.) বলেন: মহিলার হায়েযের দিন গণনা করা হবে তার পূর্ব স্বভাব অনুসারে। ইবরাহীম (রহ.)-ও অনুরূপ বলেন। ‘আত্বা (রহ.) আরো বলেন: হায়েয একদিন হতে পনের দিন পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মু‘তামির তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি ইবন সীরীন (রহ.)-কে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে তার পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী হায়েযের পাঁচ দিন পূর্ণ হওয়ার পরও রক্ত দেখে? তিনি জবাবে বললেন: এ ব্যাপারে মহিলারা ভাল জানে।"
সহিহ বুখারী : ৩২৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩২৫
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي رَجَاءٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ،. أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، سَأَلَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ إِنِّي أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْهُرُ، أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ فَقَالَ " لاَ، إِنَّ ذَلِكِ عِرْقٌ، وَلَكِنْ دَعِي الصَّلاَةَ قَدْرَ الأَيَّامِ الَّتِي كُنْتِ تَحِيضِينَ فِيهَا، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَصَلِّي ".
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ফাতিমা বিনতু আবু হুবাইশ (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আমার ইস্তিহাজা হয়েছে এবং পবিত্র হচ্ছি না। আমি কি সালাত পরিত্যাগ করব?নবী (ﷺ) বললেনঃ না, এ হলো রগ থেকে বের হওয়া রক্ত। তবে এরূপ হওয়ার পূর্বে যতদিন হায়েজ হতো সে কয়দিন সালাত অবশ্যই পরিত্যাগ করো। তারপর গোসল করে নিবে ও সালাত আদায় করবে।
(২২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৪,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩১৯)
