৪/০. অধ্যায়ঃ
যাকাত অস্বীকারকারীর বিধান
বুলুগুল মারাম : ৬০৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬০৫
وَعَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «فِي كُلِّ سَائِمَةِ إِبِلٍ: فِي أَرْبَعِينَ بِنْتُ لَبُونٍ, لَا تُفَرَّقُ إِبِلٌ عَنْ حِسَابِهَا, مَنْ أَعْطَاهَا مُؤْتَجِرًا بِهَا فَلَهُ أَجْرُهُ, وَمَنْ مَنَعَهَا فَإِنَّا آخِذُوهَا وَشَطْرَ مَالِهِ, عَزْمَةً مِنْ عَزَمَاتِ رَبِّنَا, لَا يَحِلُّ لِآلِ مُحَمَّدٍ مِنْهَا شَيْءٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ, وَعَلَّقَ الشَّافِعِيُّ الْقَوْلَ بِهِ عَلَى ثُبُوتِهِ
বাহয ইবনু হাকীম তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মাঠে প্রতিপালিত প্রতি ৪০টি উটের জন্য একটি দু’বছরের উটনী (বিনতু লাবুন)। যাকাতের হিসাবের সময় কোন উট পৃথক করা যাবে না। যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় যাকাত দিবে তাঁর জন্যে রয়েছে নেকী। আর যে অস্বীকৃতি জানাবে তার নিকট হতে আমরা অবশ্যই তা আদায় করে নেব এবং তার সম্পদের একটি বিশেষ অংশও নিব যা আমাদের প্রতিপালকের সম্পদ বলে পরিগণিত। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরের জন্য সে সম্পদ হতে বিন্দুমাত্রও হালাল করা হয়নি। আহমাদ, আবূ দাঊদ ও নাসায়ী। হাকীম একে সহীহ বলেছেন। শাফি’ঈ (রহঃ) বিষয়টিকে প্রামাণিকতা ভিত্তিতে তার পক্ষাবলম্বন করবেন বলে বলেছেন। [৬৪৮]
[৬৪৮] আবূ দাউদ ১৫৭৫, নাসায়ী ২৪৪৪, ২৪৪৯, দারেমী ১৬৭৭।আবূ দাঊদ সুনানু আবী দাঊদে (১৫৭৫) সাকাতা আনহু বলেছেন, এবং তিনি বলেন প্রত্যেক সাকাতু আনহু সহীহ। ইবনু হাযাম মুহাল্লা (৬/৫৭) গ্রন্থে সহীহ নয় বলেছেন। আল খাতীবুল বাগদাদী তারীখুল বাগদাদ (৯/৪৫৪) গ্রন্থে তাতে আব্দুল্লাহ ইবনু হাযির রয়েছেন, দারাকুতনী বলেন, শক্তিশালী নয়। যাহাবী তানকীহুত তাহকীক (১/৩৫৭) গ্রন্থে বাহায নামক রাবীকে মুনকার বলেছেন। আল আইনী উমদাতুল কারী (৯/১৯) গ্রন্থে তাঁর সানাদ সহীহ বলেছেন। শাওকানী নাইলুল আওতার (৪/১৭৯) গ্রন্থে তাতে বাহায নামে একজন রাবী আছে, তার মধ্যে ইখতিলাফ রয়েছে। আহমাদ শাকির মুহাল্লা (৬/৫৭) গ্রন্থে বলেন, তাতে বাহায ইবনু হাকীম রয়েছে, তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, ইবনু হাযাম বলেন, বাহায ইবনু হাকীম আদালতের ক্ষেত্রে মাশহুর নয় এবং তার পিতা হাকীম অনুরূপ, (আমি বলছি) বরং বাহয ও তার পিতা সিকাহ। আলবানী নাকদুন নুসূস (৫৯) গ্রন্থে বলেছেন তার সানাদ হাসান। আলবানী সহীহ আল জামি’ (৪২৬৫) গ্রন্থে হাসান বলেছেন।
