৬/১. অধ্যায়ঃ
হজ্জে এর ফযীলত ও যাদের উপর হজ্জ ফরয তার বিবরণ - উমরার বিধান
বুলুগুল মারাম : ৭১০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৭১০
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَعْرَابِيٌّ. فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَخْبِرْنِي عَنِ الْعُمْرَةِ, أَوَاجِبَةٌ هِيَ? فَقَالَ: «لَا، وَأَنْ تَعْتَمِرَ [ص: 206] خَيْرٌ لَكَ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَالرَّاجِحُ وَقْفُهُوَأَخْرَجَهُ ابْنُ عَدِيٍّ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ ضَعِيفٍ
জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ্ হতে বর্ণিতঃ
একজন বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লা্হ্র রাসূল! আপনি আমাকে জানান যে ‘উমরাহ’ পালন আমার উপর কি ওয়াজিব (আবশ্যক)? তিনি বললেন- না, তবে যদি তুমি কর তা তোমার জন্য কল্যাণের কাজ হবে। –এর মাওকুফ হওয়াটা বেশি যুক্তিযুক্ত। ইবনু ‘আদী অন্য একটি দুর্বল সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। [৭৫৬]
[৭৫৬] তিরমিযী ৯৩১, আহমাদ ১৩৯৮৮, ১৪৪৩১ইবনু হাযম মুহাল্লা (৭/৩৬) গ্রন্থে বলেছেন এর সনদে হাজ্জাজ বিন আরত্বআ রয়েছে, তার দ্বারা দলিল সাব্যস্ত হয় না। ইমাম বায়হাক্বী তাঁর সুনান আল সুগরা ২/১৪৩ গ্রন্থে বলেন, মাওকূফ হিসেবে এটি মাহফূয, আর এটি মারফূ হিসেবে দুর্বল সনদে বর্ণিত। ইমাম যাহাবী আল মুহাযযিব ৪/১৭২৯ গ্রন্থে বলেন, এর সনদে ইয়াহইয়া দুর্বল হাদীস বর্ণনাকারী যদিও তাকে সহীহ রিজালে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ২/৮৭ গ্রন্থে বলেন, ইমাম আহমাদ ও ইমাম তিরমিযীর সনদেও হাজ্জাজ বিন আরত্বআ রয়েছে, আর সে দুর্বলদের অন্তর্ভুক্ত।
