৪/২২. অধ্যায়ঃ
সালাত নিষিদ্ধ সময়ের বিবরণ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১০৪৯-[১১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১০৪৯-[১১]
وَعَنْ أَبيْ بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ قَالَ: صَلّى بِنَا رَسُولُ اللّهِ ﷺ بِالْمُخَمَّصِ صَلَاةَ الْعَصْرِ فَقَالَ: «إِنَّ هذِه صَلَاةٌ عُرِضَتْ عَلى مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَضَيَّعُوهَا فَمَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا كَانَ لَه أَجْرُه مَرَّتَيْنِ وَلَا صَلَاةَ بَعْدَهَا حَتّى يَطْلُعَ الشَّاهِدُ» . وَالشَّاهِدُ النَّجْمُ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ বাসরাহ্ আল গিফারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে 'মুখাম্মাস' নামক স্থানে ‘আস্রের সালাত আদায় করালেন। তারপর বললেন, এ সালাতটি তোমাদের পূর্বের মানুষের উপরও অবশ্য পালনীয় বিধান করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা নষ্ট করে দিয়েছে। কাজেই যে লোক এ সালাতরে ব্যাপারে যত্নবান হবে সে দ্বিগুণ প্রতিদান পাবে। (তিনি এ কথাও বলেছেন,) ‘আস্রের সালাত আদায় করার পর আর কোন সালাত নেই, যে পর্যন্ত শাহিদ উদিত না হবে। আর শাহিদ হলো তারকা। (মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৮৩০।
