৪/২৭. অধ্যায়ঃ
ইমামের দায়িত্ব - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১১৩৯-[৭]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১১৩৯-[৭]
وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ رَسُولَ اللّهِ ﷺ رَكِبَ فَرَسًا فَصُرِعَ عَنْهُ فَجُحِشَ شِقُّهُ الْأَيْمَنُ فَصَلّى صَلَاةً مِنَ الصَّلَوَاتِ وَهُوَ قَاعِدٌ فَصَلَّيْنَا وَرَاءَه قُعُودًا فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ: «إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِه فَإِذَا صَلّى قَائِمًا فَصَلُّوْا قِيَامًا فَإِذا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللّهُ لِمَنْ حَمِدَه فَقُولُوا رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ وَإِذا صَلّى قَائِمًا فَصَلُّوْا قيَامًا وَإِذَا صَلّى جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا أَجْمَعُونَقَالَ الْحُمَيْدِيُّ: قَوْلُه: «إِذَا صَلّى جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا» هُوَ فِي مَرَضِهِ الْقَدِيمِ ثُمَّ صَلّى بَعْدَ ذلِكَ النَّبِيُّ ﷺ جَالِسًا وَالنَّاسُ خَلْفَهُ قِيَامٌ لَمْ يَأْمُرْهُمْ بِالْقُعُودِ وَإِنَّمَا يُؤْخَذُ بِالْآخِرِ فَالْاخِرِ مِنْ فِعْلِ النَّبِيِّ ﷺ. هذَا لَفْظُ الْبُخَارِيِّ. وَاتَّفَقَ مُسْلِمٌ إِلى أَجْمَعُونَ. وَزَادَ فِي رِوَايَةٍ: «فَلَا تَخْتَلِفُوْا عَلَيْهِ وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوْا». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক ভ্রমণের সময় ঘোড়ার উপর আরোহী ছিলেন। ঘটনাক্রমে তিনি নীচে পড়ে গেলেন। ফলে তার ডান পাজরের চামড়া উঠে গিয়ে চরম ব্যথা পেলেন (দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে পারছিলেন না)। তাই তিনি (ﷺ) বসে বসে আমাদেরকে (পাচ বেলা সালাতের) কোন এক বেলা সালাত আদায় করালেন। আমরাও তার পেছনে বসে বসেই সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষ করে তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, ইমাম এ জন্যেই নির্ধারিত করা হয়েছে যেন তোমরা তার অনুকরণ করো। তাই ইমাম দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করালে তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। ইমাম যখন রুকু করবে, তোমরাও রুকু করবে। ইমাম রুকু হতে উঠলে তোমরাও রুকু হতে উঠবে। ইমাম সামি'আল্ল-হু লিমান হামিদাহ বললে, তোমরা রব্বানা- লাকাল হামদুই বলবে। আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করাবে, তোমরা সব মুক্তাদী বসে সালাত আদায় করবে।ইমাম হুমায়দী (রহঃ) বলেন, ‘ইমাম বসে সালাত আদায় করালে’ তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে।নবী (ﷺ)-এর এ নির্দেশ, তার প্রথম অসুস্থের সময়ের নির্দেশ ছিল। পরে মৃত্যুশয্যায় (ইস্তিকালের একদিন আগে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বসে বসে সালাত আদায় করিয়েছেন। মুক্তাদীগণ তার পেছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেছেন। তিনি তাদেরকে বসে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেননি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ শেষ আমালের ওপরই আমাল করা হয়। এগুলো হলো বুখারীর ভাষা। এর ওপর ইমাম মুসলিম একমত পোষণ করেছেন। মুসলিমে আরো একটু বেশী বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ইমামের বিপরীত কোন আমাল করো না। ইমাম সিজদা করলে তোমরাও সিজদা করবে। (বুখারী)” [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৬৮৯, ৭৩৩, মুসলিম ৪১৪।
