১/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৫-[১] - ঈমান (বিশ্বাস)
কবরের আজাব - প্রথম অনুচ্ছেদ
এখানে কবর দ্বারা উদ্দেশ হচ্ছে ’‘আলামুল বারযাখ’’। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ اِلى يَوْمِ يُبْعَثُوْنَঅর্থাৎ- ’‘পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তারা বারযাখে থাকবে।’’ (সূরাহ্ আল মু‘মিনূন ২৩: ১০০)আর বারযাখ হচ্ছে দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝের এক পৃথিবী। এখানে কবর দ্বারা মৃত্যু বরণকারী লাশকে দাফন করার গর্ত উদ্দেশ্য নয়। কেননা, অনেক মৃত ব্যক্তি আছে। যেমন, পানিতে ডুবে যে মৃত্যুবরণ করেছে অথবা আগুনে পুড়ে অথবা প্রাণী তাকে খেয়ে ফেলেছে এগুলোকে দাফন করা হয় না অথচ এদেরকেও শাস্তি দেয়া হয় এবং নি‘আমাতও দান করা হয়।এখানেإثبات عذاب القبرবলে শুধুমাত্র শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে দু’টি কারণে। এক- গুরুত্বারোপ করা। দুই- শাস্তি যাদেরকে দেয়া হবে সেই কাফির বেঈমানদের সংখ্যা বেশী।
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১২৫-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৫-[১]
عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ عَنِ النَّبِيّ ﷺ قَالَ الْمُسْلِمُ إِذَا سُئِلَ فِي الْقَبْرِ يَشْهَدُ أَن لَّا إِلهَ اِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَدًا رَّسُوْلُ الله فَذَلِكَ قَوْلُهٗ يُثَبِّتُ اللّهُ الَّذِينَ امَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَوةِ الدُّنْيَا وَفِي الْاۤخِرَةِ وَفِيْ رِوَايَةٍ عَنِ النَّبِيّ ﷺ قَالَ يُثَبِّتُ اللّهُ الَّذِينَ امَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ نَزَلَتْ فِي عَذَابِ الْقَبْرِ يُقَالُ لَهٗ مَنْ رَبُّكَ؟ فَيَقُولُ رَبِّيَ اللّهُ وَنَبِيِّي مُحَمَّدٌ ﷺ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মুসলিমকে যখন কবরে জিজ্ঞেস করা হয় তখন সে সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই এবং নিঃসন্দেহে মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল।“যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে অটল ও অবিচল রাখেন”-(সূরা ইবরাহীম ১৪:২৭)।আল্লাহর এ বাণীর অর্থ হল এটাই। অপর এক বর্ণনায় আছে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ “ইউসাব্বিতুল্লা-হুল্লাযীনা আ-মানু বিল ক্বাওলিস্ সাবিতি”- এ আয়াত কবরের আযাব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। কবরে মৃতকে জিজ্ঞেস করা হয়, তোমার রব কে? সে বলে, আমার রব মহান আল্লাহ তা‘আলা। আর আমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৪৬৯৯, মুসলিম ২৮৭১, আবূ দাঊদ ৪৭৫০, সহীহ আল জামি‘ ৬৭০৮, সহীহাহ্ ৩৯৬৩, নাসায়ী ২০৫৭, তিরমিযী ৩১২০, ইবনু মাজাহ্ ৪২৬৯।
