১/৪. অধ্যায়ঃ
কবরের আজাব - প্রথম অনুচ্ছেদ
এখানে কবর দ্বারা উদ্দেশ হচ্ছে ’’আলামুল বারযাখ’’। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ اِلى يَوْمِ يُبْعَثُوْنَঅর্থাৎ- ’’পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তারা বারযাখে থাকবে।’’ (সূরাহ্ আল মু’মিনূন ২৩: ১০০)আর বারযাখ হচ্ছে দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝের এক পৃথিবী। এখানে কবর দ্বারা মৃত্যু বরণকারী লাশকে দাফন করার গর্ত উদ্দেশ্য নয়। কেননা, অনেক মৃত ব্যক্তি আছে। যেমন, পানিতে ডুবে যে মৃত্যুবরণ করেছে অথবা আগুনে পুড়ে অথবা প্রাণী তাকে খেয়ে ফেলেছে এগুলোকে দাফন করা হয় না অথচ এদেরকেও শাস্তি দেয়া হয় এবং নি’আমাতও দান করা হয়।এখানেإثبات عذاب القبرবলে শুধুমাত্র শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে দু’টি কারণে। এক- গুরুত্বারোপ করা। দুই- শাস্তি যাদেরকে দেয়া হবে সেই কাফির বেঈমানদের সংখ্যা বেশী।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১২৮-[৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১২৮-[৪]
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّهُ عَنْهَا أَنَّ يَهُودِيَّةً دَخَلَتْ عَلَيْهَا فَذَكَرَتْ عَذَابَ الْقَبْرِ فَقَالَتْ لَهَا أَعَاذَكِ اللّهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ فَسَأَلَتْ عَائِشَةُ رَسُولَ اللهِ ﷺ عَنْ عَذَابِ الْقَبْرِ فَقَالَ نَعَمْ عَذَابُ الْقَبْرِ حَقٌّ قَالَتْ عَائِشَةُ فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ بَعْدُ صَلّى صَلَاةً اِلَّا تَعَوَّذَ بِاللهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা এক ইয়াহূদী নারী তাঁর কাছে এলো। সে ক্ববরের ‘আযাব প্রসঙ্গ উঠাল এবং বলল, হে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)! আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাকে ক্ববরের আযাব থেকে মুক্তি দিন। অতঃপর ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে কবরের ‘আযাবের সত্যতা প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ হ্যাঁ, কবরের আযাব সত্য। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি কক্ষনো এমন দেখিনি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায় করেছেন অথচ কবরের আযাব হতে আল্লাহর নিকট মুক্তির দু‘আ করেন নি। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৩৭২, মুসলিম ৯০৩, আহমাদ ২৫৪১৯, সহীহাহ্ ১৩৭৭, সহীহ আত্ তারগীব ৩৫৪৭। হাদীসের শব্দগুলো বুখারীর।
