৪/৩৯. অধ্যায়ঃ
নফল সালাত - প্রথম অনুচ্ছেদ
সকল প্রকার নফল সালাত, যেগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত, যথাক্রমে সালাতুল তাহ্ইয়্যাতুল উযূ, সালাতুন ইস্তিখারাহ্, তওবা্, সালাতুল হাজাত এবং সালাতুত্ তাসবীহ।التَّطَوُّعِশব্দটিالطوع، والطاعةশব্দ হতে গৃহীত অর্থ মান্য করা, বাস্তবায়ন করা, মেনে নেয়া ইত্যাদি এবংالتَّطَوُّعِশব্দটি ফরয ও ওয়াজিব ব্যতীত সকল নফলের উপর মুত্বলাক (তালাক)্ব (সকল নফলের ক্ষেত্রে এ শব্দটি প্রযোজ্য) আর যে বা যারা ফরয কিংবা ওয়াজিবের উপর অতিরিক্ত ’আমলুস্ সালিহ বা সৎকর্ম সম্পাদন করে তাকে (مُتَطَوِّعِ) বলা হয়।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১৩২৬-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১৩২৬-[৩]
وَعَنْ بُرَيْدَةَ قَالَ: أَصْبَحَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ فَدَعَا بِلَالًا فَقَالَ: «بِمَ سَبَقْتَنِىْ إِلَى الْجَنَّةِ مَا دَخَلْتُ الْجَنَّةَ قَطُّ إِلَّا سَمِعْتُ خَشْخَشَتَكَ أَمَامِىْ» . قَالَ: يَا رَسُولَ اللّهِ مَا أَذَّنْتُ قَطُّ إِلَّا صَلَّيْتُ رَكْعَتَيْنِ وَمَا أَصَابَنِىْ حَدَثٌ قَطُّ إِلَّا تَوَضَّأْتُ عِنْدَه وَرَأَيْتُ أَنَّ لِلّهِ عَلَيَّ رَكْعَتَيْنِ. فَقَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «بِهِمَا». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
বুরায়দাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজ্রের সময় বিলালকে ডাকলেন। তাকে তিনি বললেন, কি ‘আমাল দ্বারা তুমি আমার পূর্বে জান্নাতে চলে গেছ। আমি যখনই জান্নাতে প্রবেশ করেছি, তোমার জুতার আওয়াজ শুনেছি। বিলাল আবেদন করলেন, হে আলাহর রাসূল! আমি আযান দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই রাক্‘আত সালাত অবশ্যই আদায় করি। আর আমার উযূ নষ্ট হয়ে গেলে তখনই আমি উযূ করে আল্লাহর জন্যে দুই রাক্‘আত সালাত আদায় করা জরুরী মনে করেছি। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : হ্যাঁ, এ কারণেই তুমি এত বিশাল মর্যাদায় পৌঁছে গেছ। (তিরমিযী) [১]
[১] সহীহ : আত্ তিরমিযী ১৩৮৯, আহমাদ ২২৯৯৬, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১০১২, সহীহ আল জামি‘ ৭৮৯৪, ইবনু খুযায়মাহ্ ১২০৯, ইবনু হিব্বান ৭০৮৬, ৭০৮৭, মুসতাদরাক লিল হাকিম ১১৭৯, শু‘আবুল ঈমান ২৪৬১, সহীহ আত্ তারগীব ২০১।
