৬/০. অধ্যায়ঃ
যাকাত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১৭৯০-[১৯]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১৭৯০-[১৯]
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: لَمَّا تُوُفِّيَ النَّبِيُّ ﷺ وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنَ الْعَرَبِ قَالَ عُمَرُ: يَا أَبَا بَكْرٍ كَيْفَ تُقَاتِلُ النَّاسَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتّى يَقُولُوا: لَا إِلهَ إِلَّا اللّهُ فَمَنْ قَالَ: لَا إِلهَ إِلَّا اللّهُ عَصَمَ مِنِّىْ مَالَه وَنَفْسَه إِلَّا بِحَقِّه وَحِسَابُه عَلَى الله». قَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَاللّهِ لَأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ وَاللّهِ لَوْ مَنَعُونِىْ عَنَاقًا كَانُوا يُؤَدُّونَهَا إِلى رَسُولِ اللّهِ ﷺ لَقَاتَلْتُهُمْ عَلى مَنْعِهَا. قَالَ عُمَرُ: فَوَاللّهِ مَا هُوَ إِلَّا أَن رَأَيْتُ أَنْ قَدْ شَرَحَ اللهُ صَدْرَ أَبِىْ بَكْرٍ لِلْقِتَالِ فَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর ইন্তিকালের পর আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) খলীফাহ হন তখন ‘আরাবের কিছু লোক যাকাত প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। (আবূ বকর তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুনে) উমর (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন আপনি কীভাবে যুদ্ধ করবেন? অথচ রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ‘আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে,মানুষ যে পর্যন্ত ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ (অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই-এ কথার) ঘোষণা না দিবে ততক্ষণ তাদের সাথে যুদ্ধ করবে,যে ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলল সে নিজের ধন-সম্পদ ও জীবন আমার থেকে নিরাপদ করে নিলো। তবে ইসলামের কারণে হলে ভিন্ন কথা। আর এর হিসাব আল্লাহর কাছে। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন,আল্লাহর কসম যে ব্যক্তি সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করবে,আমি অবশ্য অবশ্যই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব। কারণ নিঃসন্দেহে যাকাত সম্পদের হক। আল্লাহর কসম! তারা (যাকাত অস্বীকারকারীরা) যদি আমাকে একটি ছাগলের বাচ্চা দিতেও অস্বীকার করে যা তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময় দিতো,তাহলেও আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব।(তখন) উমর বললেন,আল্লাহর শপথ! যুদ্ধের এই সিদ্ধান্ত আল্লাহর তরফ থেকে আবূ বকর-এর অন্তর্চক্ষু খুলে দেওয়া ছাড়া আর কিছু বলে আমি মনে করি না। (বুখারী,মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯২৪-২৫, মুসলিম ২০, আবূ দাঊদ ১৫৫৬, আত্ তিরমিযী ২৬০৭, নাসায়ী ২৪৪৩, আহমাদ ১১৭, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১৫৬৭।
