৭/৬. অধ্যায়ঃ
নফল সিয়াম প্রসঙ্গে - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২০৫৪-[১৮]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২০৫৪-[১৮]
وَعَنْ عَبْدِ اللّٰهِ بْنِ عَمْرٍو بْنِ الْعَاصِ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «يَا عَبْدَ اللّٰهِ أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّكَ تَصُومُ النَّهَارَ وَتَقُومُ اللَّيْلَ؟» فَقُلْتُ: بَلٰى يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ. قَالَ: «فَلَا تَفْعَلْ صُمْ وَأَفْطِرْ وَقُمْ وَنَمْ فَإِنَّ لِجَسَدِكَ عَلَيْكَ حَقًّا وَإِنَّ لِعَيْنِكَ عَلَيْكَ حَقًّا وَإِنَّ لِزَوْجِكَ عَلَيْكَ حَقًّا وَإِنَّ لِزَوْرِكَ عَلَيْكَ حَقًّا. لَا صَامَ مَنْ صَامَ الدَّهْرَ. صَوْمُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ صَوْمُ الدَّهْرِ كُلِّه. صُمْ كُلَّ شَهْرٍ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَاقْرَأِ الْقُرْاٰنَ فِىْ كُلِّ شَهْرٍ». قُلْتُ: إِنِّىْ أُطِيقُ أَكْثَرَ مِنْ ذٰلِكَ. قَالَ: «صُمْ أَفْضَلَ الصَّوْمِ صَوْمَ دَاوُدَ: صِيَامُ يَوْمٍ وَإِفْطَارُ يَوْمٍ. وَاقْرَأْ فِىْ كُلِّ سَبْعِ لَيَالٍ مَرَّةً وَلَا تَزِدْ عَلٰى ذٰلِكَ». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ! আমি জানতে পেরেছি, তুমি দিনে সাওম রাখো ও রাত জেগে সালাত আদায় করো। আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ না, (এরূপ) করো না। সাওম রাখবে, আবার ছেড়ে দেবে। সালাত আদায় করবে, আবার ঘুমাবে। অবশ্য অবশ্যই তোমার ওপর তোমার শরীরের হক আছে, তোমার চোখের ওপর হক আছে, তোমার ওপর তোমার স্ত্রীর হক আছে। তোমার মেহমানদেরও তোমার ওপর হক আছে।যে সবসময় সওম রাখে সে (যেন) সাওমই রাখল না। অবশ্য প্রতি মাসে তিনটি সওম সবসময়ে সাওম রাখার সমান। অতএব প্রতি মাসে (আইয়্যামে বীযে অথবা যে কোন দিনে তিনদিন) সাওম রাখো। এভাবে প্রতি মাসে কুরআন পড়বে। আমি নিবেদন করলাম, আমি তো এর চেয়ে বেশী করার সামর্থ্য রাখি।তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাহলে উত্তম দাঊদ (আঃ)-এর সাওম রাখো। একদিন রাখবে, আর একদিন ছেড়ে দেবে। আর সাত রাতে একবার কুরআন খতম করবে। এতে আর মাত্রা বাড়াবে না। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৯৭৫, ১৯৭৬, ৫০৫৪, মুসলিম ১১৫৯, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৪৭৩২, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩২০, ইরওয়া ২০১৫, আহমাদ ৬৮৬৭, সহীহ আত্ তারগীব ২৫৮৭, সহীহ আল জামি‘ ৭৯৪২, ইবনু খুযায়মাহ্ ২১১০।
