৮/০. অধ্যায়ঃ
কুরআনের মর্যাদা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২১৬৭-[৫৯]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২১৬৭-[৫৯]
وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللّٰهِ بْنِ أَوْسٍ الثَّقَفِىْ عَنْ جَدِّه قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «قِرَاءَةُ الرَّجُلِ الْقُرْاٰنَ فِىْ غَيْرِ الْمَصْحَفِ أَلْفُ دَرَجَةٍ وَقِرَاءَتُه فِى الْمَصْحَفِ تُضَعَّفُ عَلٰى ذٰلِك إِلٰى أَلْفَىْ دَرَجَةٍ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِىُّ فِىْ شُعَبِ الْإِيمَانِ
আওস আস-সাকাফী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির মাসহাফ ছাড়া (অর্থাৎ- কুরআন দেখা ছাড়া) মুখস্থ কুরআন পড়া এক হাজার গুণ মর্যাদা সম্পন্ন। আর কুরআন মাসহাফে পড়া (অর্থাৎ- কুরআন খুলে দেখে দেখে পড়া) মুখস্থ পড়ার দুই গুণ থেকে দুই হাজার গুণ পর্যন্ত মর্যাদা রাখে। (বায়হাক্বী- শু‘আবূল ঈমান)[১]
[১] য‘ঈফ : মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৬০১, য‘ঈফ আল জামি‘ ৪০৮১, শু‘আবূল ঈমান ২০২৬। কারণ এর সানাদে আবূ সা‘ঈদ ইবনু ‘উয একজন দুর্বল রাবী আর ‘উসমান ‘আবদুল্লাহ ইবনু আওস একজন সদুক রাবী হলেও তার দাদার সাক্ষাৎ পাওয়া নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
