২/০. অধ্যায়ঃ
ইলম (বিদ্যা) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২৫৮-[৬১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২৫৮-[৬১]
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدِاء قَالَ سُئِلَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ فَقِيْلَ يَا رَسُوْلَ اللهِ مَا حَدُّ الْعِلْمِ الَّذِىْ إِذَا بَلَغَهُ الرَّجُلُ كَانَ فَقِيْهًا فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ حَفِظَ عَلى أُمَّتِيْ أَرْبَعِيْنَ حَدِيْثًا فِيْ أَمْرِ دِيْنِهَا بَعَثَهُ اللهُ فَقِيْهًا وَكُنْتُ لَه يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَافِعًا وَشَهِيْدًا
আবুদ্ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হল: হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! সে ইলমের সীমা কী যাতে পৌছলে একজন লোক ফাকীহ বা আলিম বলে গণ্য হবে? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ): বললেন, যে ব্যক্তি আমার উম্মাতের জন্য দ্বীন সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করেছে, আল্লাহ তা'আলা তাকে কেয়ামতের দিন ফাকীহ হিসেবে (ক্ববর হতে) উঠাবেন। আর আমি তার জন্য কেয়ামতের দিন শাফা’আত করব ও তার আনুগত্যের সাক্ষ্য দিব।" [১]
[১] য‘ঈফ : বায়হাক্বী ১৭২৬। কারণ এর সানাদে ‘‘আবদুল মালিক ইবনু হারূন ইবনু আন্তারাহ্’’ রয়েছে যাকে ইবনু মা‘ঈন মিথ্যুক হিসেবে অবহিত করেছেন তার ইবনু হিব্বান মিথ্যার অপবাদ দিয়েছেন।
