১২/৪. অধ্যায়ঃ
নিষিদ্ধ বস্তু ক্রয়-বিক্রয় - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২৮৩৪-[১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২৮৩৪-[১]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمُزَابَنَةِ: أَنْ يَبِيع تمر حَائِطِهِ إِنْ كَانَ نَخْلًا بِتَمْرٍ كَيْلَا وَإِنْ كَانَ كرْماً أنْ يَبيعَه زبيبِ كَيْلَا أَوْ كَانَ وَعِنْدَ مُسْلِمٍ وَإِنْ كَانَ زَرْعًا أَنْ يَبِيعَهُ بِكَيْلِ طَعَامٍ نَهَى عَنْ ذلكَ كُله. مُتَّفق عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُمَا: نَهَى عَنِ الْمُزَابَنَةِ قَالَ: والمُزابنَة: أنْ يُباعَ مَا فِي رُؤوسِ النَّخلِ بتمْرٍ بكيلٍ مُسمَّىً إِنْ زادَ فعلي وَإِن نقص فعلي)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ‘মুযাবানাহ্’ জাতীয় ক্রয়-বিক্রয় হতে নিষেধ করেছেন। আর তা হলো বাগানের মধ্যে রেখে ফল বিক্রি করা। গাছ হতে পেড়ে তা শুকালে কি পরিমাণ খুরমা হবে ওই পরিমাণ খুরমা দিয়ে এর বিনিময়ে গাছের খেজুর গাছে রেখেই অনুমান করে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি আঙ্গুর হয়, কিসমিসের বিনিময়ে অনুমান করে ক্রয়-বিক্রয় করা। মুসলিম- এর বর্ণনায় ক্ষেতের শস্যদানার বেলায়ও এভাবে ক্রয়-বিক্রয় করা নিষেধ। (বুখারী, মুসলিম)মুত্তাফাকুন ‘আলায়হি-এর অন্য এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুযাবানাহ্ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। তিনি (ﷺ) আরো বলেছেন, (খেজুর) গাছের মাথায় যে খেজুর রয়েছে তা নির্দিষ্ট পরিমাপ করে খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করা হলো 'মুযাবানাহ্'। যদি বেশি হয় তবে তা আমার (বিক্রেতার লাভে) হবে। যদি কম হয় তবে তা আমারই ক্ষতি হিসেবে পরিগণিত হবে (অর্থাৎ- এর লাভ-ক্ষতি আমারই হবে)।
