১৩/২. অধ্যায়ঃ
বিয়ের ওয়ালি (অভিভাবক) এবং নারীর অনুমতি গ্রহণ প্রসঙ্গে - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩১২৭-[২]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩১২৭-[২]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا وَالْبِكْرُ تَسْتَأْذِنُ فِي نَفْسِهَا وَإِذْنُهَا صِمَاتُهَا» . وَفِي رِوَايَةٍ: قَالَ: «الثَّيِّبُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا وَالْبِكْرُ تُسْتَأْمَرُ وَإِذْنُهَا سُكُوتُهَا» . وَفِي رِوَايَةٍ: قَالَ: «الثَّيِّبُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا وَالْبِكْرُ يَسْتَأْذِنُهَا أَبُوهَا فِي نَفْسِهَا وَإِذْنُهَا صِمَاتُهَا» . رَوَاهُ مُسلم
‘আব্দুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন : প্রাপ্তবয়স্কা বা স্বামীহীনা নারী তার (বিয়ের অনুমতির) ব্যাপারে ওয়ালী থেকে বেশি অধিকার রাখে। আর কুমারী তার ব্যাপারে অনুমতির অধিকার রাখে এবং (বিয়েতে) নিরবতা তার অনুমতি।অন্য বর্ণনায় আছে যে, বিবাহিতা (বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা) তার (বিয়ের) ওয়ালী অপেক্ষা বেশি (কর্তৃত্বের) অধিকারিণী এবং কুমারীর সম্মতি নিতে হবে, তার নিরবতাই সম্মতি।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৪২১, আবূ দাঊদ ২০৯৮, নাসায়ী ৩২৬০, তিরমিযী ১১০৮, আহমাদ ১৮৮৮, ইরওয়া ১৮৩৩, সহীহাহ্ ১২১৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৪০৮৪।
