১৩/৯. অধ্যায়ঃ
ভাগ-বণ্টন (সহধর্মিণীদের মধ্যে পালা নিরূপণ প্রসঙ্গে) - প্রথম অনুচ্ছেদ
الْقَسْمِশব্দটির ’কফ’ বর্ণে যবর এবং ’সীন’ বর্ণে সাকীন যোগে মাসদার বা শব্দমূল হিসেবে পঠিত হয়। অর্থ ভাগ-বণ্টনে করা শরীক বা অংশীদারদের মাঝে প্রাপ্য অংশ বণ্টন করে দেয়া। অনুরূপ স্ত্রীদের মাঝে পালি বণ্টন করা, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীদের নিকট (পালাক্রমিক) রাত যাপন করা। ইবনুল হুমাম (রহঃ) বলেন, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীর মাঝে সমতা বিধান করা, একেই নামকরণ করা হয়েছে ’স্ত্রীদের মাঝে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা’। এই ন্যায়বিচার আবশ্যক হওয়ার বিষয়টি রাতের পালার ক্ষেত্রেই বিশেষভাবে প্রযোজ্য। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩২৩৩-[৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩২৩৩-[৫]
وَعَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ: مِنَ السُّنَّةِ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْبِكْرَ عَلَى الثَّيِّبِ أَقَامَ عِنْدهَا سبعا وَقسم إِذا تَزَوَّجَ الثَّيِّبَ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلَاثًا ثُمَّ قَسَمَ. قَالَ أَبُو قلَابَة: وَلَو شِئْت لَقلت: إِن أَنَسًا رَفْعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ) আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি (আনাস (রাঃ) বলেছেন : সুন্নাত তরীক্বাহ্ হলো, কেউ যদি পূর্ব বিবাহিতা স্ত্রী থাকাকালীন কুমারী বিয়ে করে তার নিকট সাতদিন অবস্থান করে, পরে পালা বণ্টন করবে। আর যদি বিধবা (বা ত্বলাক্বপ্রাপ্তা) বিয়ে করে তার নিকট তিনদিন অবস্থান করে, পরে বণ্টন করবে। আবূ ক্বিলাবাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি যদি বলতে ইচ্ছা করি তবে তা হলো, হাদীসটি আনাস (রাঃ) নবী (ﷺ) হতে মারফূ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
[১] সহীহ : বুখারী ৫২১৪, মুসলিম ১৪৬১, আবূ দাঊদ ২১২৪, তিরমিযী ১১৩৯, ইরওয়া ২০২৫।
