১৩/৯. অধ্যায়ঃ
ভাগ-বণ্টন (সহধর্মিণীদের মধ্যে পালা নিরূপণ প্রসঙ্গে) - প্রথম অনুচ্ছেদ
الْقَسْمِশব্দটির ’কফ’ বর্ণে যবর এবং ’সীন’ বর্ণে সাকীন যোগে মাসদার বা শব্দমূল হিসেবে পঠিত হয়। অর্থ ভাগ-বণ্টনে করা শরীক বা অংশীদারদের মাঝে প্রাপ্য অংশ বণ্টন করে দেয়া। অনুরূপ স্ত্রীদের মাঝে পালি বণ্টন করা, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীদের নিকট (পালাক্রমিক) রাত যাপন করা। ইবনুল হুমাম (রহঃ) বলেন, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীর মাঝে সমতা বিধান করা, একেই নামকরণ করা হয়েছে ’স্ত্রীদের মাঝে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা’। এই ন্যায়বিচার আবশ্যক হওয়ার বিষয়টি রাতের পালার ক্ষেত্রেই বিশেষভাবে প্রযোজ্য। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩২৩২-[৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩২৩২-[৪]
وَعَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا أَقْرَعَ بَيْنَ نِسَائِهِ فأيهن خَرَجَ سَهْمُهَا خَرَجَ بِهَا مَعَهُ
উক্ত রাবী (‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোনো সফরে বের হলে তাঁর সহধর্মিণীগণের মধ্যে লটারির মাধ্যমে (নির্বাচিত করে) যার নাম উঠত তাকে সাথে নিয়ে যেতেন ৷
[১] সহীহ : বুখারী ২৬৮৮, মুসলিম ২৭৭০, আবূ দাঊদ ২১৩৮, ইবনু মাজাহ ১৯৭০, আহমাদ ২৪৮৫৯, দারিমী ২২৫৪।
