১৩/৯. অধ্যায়ঃ

ভাগ-বণ্টন (সহধর্মিণীদের মধ্যে পালা নিরূপণ প্রসঙ্গে) - প্রথম অনুচ্ছেদ

الْقَسْمِশব্দটির ’কফ’ বর্ণে যবর এবং ’সীন’ বর্ণে সাকীন যোগে মাসদার বা শব্দমূল হিসেবে পঠিত হয়। অর্থ ভাগ-বণ্টনে করা শরীক বা অংশীদারদের মাঝে প্রাপ্য অংশ বণ্টন করে দেয়া। অনুরূপ স্ত্রীদের মাঝে পালি বণ্টন করা, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীদের নিকট (পালাক্রমিক) রাত যাপন করা। ইবনুল হুমাম (রহঃ) বলেন, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীর মাঝে সমতা বিধান করা, একেই নামকরণ করা হয়েছে ’স্ত্রীদের মাঝে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা’। এই ন্যায়বিচার আবশ্যক হওয়ার বিষয়টি রাতের পালার ক্ষেত্রেই বিশেষভাবে প্রযোজ্য। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩২৩১-[৩]

وَعَنْهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَسْأَلُ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ: «أَيْنَ أَنَا غَدًا؟» يُرِيدُ يَوْمَ عَائِشَةَ فَأَذِنَ لَهُ أَزْوَاجُهُ يَكُونُ حَيْثُ شَاءَ فَكَانَ فِي بَيْتِ عَائِشَةَ حَتَّى مَاتَ عِنْدَهَا. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

উক্ত রাবী (‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রাণ ওষ্ঠাগতপ্রায় (মৃত্যু হবে এমন) অবস্থায় জিজ্ঞেস করছিলেন, আগামীকাল আমি কোথায় (থাকব)? আগামীকাল কার ঘরে (থাকব)? তিনি (‘আয়িশাহ্ (রাঃ):) বলেন, এই (পুনঃপুনঃ) বলার উদ্দেশ্য হলো, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর পালা কবে আসবে? এমতাবস্থায় সকল স্ত্রী তাঁকে তাঁর সদিচ্ছায় থাকার অনুমতি দিতেন। অতঃপর তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ঘরেই অবস্থান করেন এবং তার কাছে থেকেই ইন্তিকাল করেন।

[১] সহীহ : বুখারী ৫২১৭, মুসলিম ২৪৪৩, ইরওয়া ২০২১।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন