১৬/১. অধ্যায়ঃ
দিয়াত (রক্তপণ) - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৫০০-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৫০০-[১৫]
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَوِّمُ دِيَةَ الْخَطَأِ عَلَى أَهْلِ الْقُرَى أَرْبَعَمِائَةِ دِينَارٍ أَوْ عِدْلَهَا مِنَ الْوَرِقِ وَيُقَوِّمُهَا عَلَى أَثْمَانِ الْإِبِلِ فَإِذَا غَلَتْ رَفَعَ فِي قيمتِها وإِذا هاجَتْ رُخصٌ نَقَصَ مِنْ قِيمَتِهَا وَبَلَغَتْ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا بَيْنَ أَرْبَعِمِائَةِ دِينَارٍ إِلَى ثَمَانِمِائَةِ دِينَارٍ وَعِدْلُهَا مِنَ الْوَرِقِ ثَمَانِيَةُ آلَافِ دِرْهَمٍ قَالَ: وَقَضَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى أَهْلِ الْبَقَرِ مِائَتَيْ بَقَرَةٍ وَعَلَى أَهْلِ الشَّاءِ أَلْفَيْ شَاةٍ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْعَقْلَ مِيرَاثٌ بَيْنَ وَرَثَةِ الْقَتِيلِ» وَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ عَقْلَ الْمَرْأَةِ بَيْنَ عَصَبَتِهَا وَلَا يَرِثُ القاتلُ شَيْئا. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভুলক্রমে হত্যার রক্তপণ গ্রামবাসীদের ওপর নির্ধারণ করেছেন উটের মূল্যের উপর হিসাব করে চারশত স্বর্ণমুদ্রা অথবা তার সমপরিমাণ মূল্যের রৌপ্যমুদ্রা। অতএব যদি উটের মূল্য বৃদ্ধি পেত তখন রক্তপণের মূল্য বর্ধিত করে দিতেন। আর যদি উটের মূল্য হ্রাস পেত তখন রক্তপণের মূল্য কমিয়ে দিতেন। সুতরাং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে রক্তপণের মূল্য চারশত স্বর্ণমুদ্রা থেকে আটশত স্বর্ণমুদ্রা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেত। আর শত স্বর্ণমুদ্রার সমপরিমাণ রৌপ্যমুদ্রা ছিল আট হাজার দিরহাম।রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গাভীর মালিকের ওপর দুইশত গাভী আর বকরীর মালিকের ওপর দুই হাজার বকরী (রক্তপণস্বরূপ) নির্ধারণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেছেন, রক্তপণের ধন-সম্পদ নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের হাক্ব।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নির্দেশ দিয়েছেন, মহিলার রক্তপণ তার অভিভাবকগণ ভাগ-বণ্টন অনুপাতে বহন করবে এবং হত্যাকারী কিছুতেই নিহত ব্যক্তির ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার হবে না।
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ৪৫৬৪, নাসায়ী ৪৮০১।
