১৮/৪. অধ্যায়ঃ
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - প্রথম অনুচ্ছেদ
’আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ বিচারকের নিকট যে মুকদ্দামাহ্ পেশ করা হয় তাকে বিচার বলে। আযহারী (রহঃ) বলেনঃ কোনো বিষয়ে বিচারকার্য শেষ করাকে কাযাউ বা বিচারকার্য বলা হয়।কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’আমি বনী ইসরাঈলের নিকট ফায়সালা করেছিলাম’’- (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭ : ৪)। হাকিম-কে কাযী বলা হয় এ কারণে যে, তিনি আইন-কানুন মেনে বিচার ফায়সালা করে থাকেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৭৬৫-[৮]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৭৬৫-[৮]
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنِ ادَّعَى مَا لَيْسَ لَهُ فَلَيْسَ مِنَّا وَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোনো ব্যক্তি যদি এমন জিনিসের দাবী করে, যে জিনিসের প্রকৃত (মালিক) সে নয়, সে আমার দলভুক্ত নয়। সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে নির্দিষ্ট করে নেয়।
[১] সহীহ : মুসলিম ৬১, ইবনু মাজাহ ২৩১৯, সহীহ আল জামি‘ ৫৯৯০।
