১৮/৪. অধ্যায়ঃ
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - প্রথম অনুচ্ছেদ
’আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ বিচারকের নিকট যে মুকদ্দামাহ্ পেশ করা হয় তাকে বিচার বলে। আযহারী (রহঃ) বলেনঃ কোনো বিষয়ে বিচারকার্য শেষ করাকে কাযাউ বা বিচারকার্য বলা হয়।কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’আমি বনী ইসরাঈলের নিকট ফায়সালা করেছিলাম’’- (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭ : ৪)। হাকিম-কে কাযী বলা হয় এ কারণে যে, তিনি আইন-কানুন মেনে বিচার ফায়সালা করে থাকেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৭৬৬-[৯]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৭৬৬-[৯]
وَعَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ الشُّهَدَاءِ؟ الَّذِي يَأْتِي بشهادتِه قبلَ أنْ يسْأَلهَا» . رَوَاهُ مُسلم
যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি কি তোমাদেরকে বলে দিবো না, সর্বোত্তম সাক্ষ্যদানকারী কারা? সে ব্যক্তিই উত্তম সাক্ষ্যদানকারী, যাকে চাওয়ার আগে স্বীয় সাক্ষী প্রদান করে।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৭১৯, আবূ দাঊদ ৩৫৯৬, তিরমিযী ২২৯৫, আহমাদ ১৭০৪০, সহীহাহ্ ৩৪৫৮, সহীহ আল জামি‘ ২৬০০।
