১৯/৫. অধ্যায়ঃ
যুদ্ধবন্দীদের বিধিমালা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৯৭০-[১১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩৯৭০-[১১]
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: لَمَّا بَعَثَ أَهْلُ مَكَّةَ فِي فِدَاءِ أُسَرَائِهِمْ بَعَثَتْ زَيْنَبُ فِي فِدَاءِ أَبِي الْعَاصِ بِمَالٍ وَبَعَثَتْ فِيهِ بِقِلَادَةٍ لَهَا كَانَتْ عِنْدَ خَدِيجَةَ أَدْخَلَتْهَا بِهَا عَلَى أَبِي الْعَاصِ فَلَمَّا رَآهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَقَّ لَهَا رِقَّةً شَدِيدَةً وَقَالَ: «إِنْ رَأَيْتُمْ أَنْ تُطْلِقُوا لَهَا أَسِيرَهَا وَتَرُدُّوا عَلَيْهَا الَّذِي لَهَا» فَقَالُوا: نَعَمْ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخَذَ عَلَيْهِ أَنْ يُخَلِّيَ سَبِيلَ زَيْنَبَ إِلَيْهِ وَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَيْدَ بْنَ حَارِثَةَ وَرَجُلًا مِنَ الْأَنْصَارِ فَقَالَ: «كونا ببطنِ يأحج حَتَّى تَمُرَّ بِكُمَا زَيْنَبُ فَتَصْحَبَاهَا حَتَّى تَأْتِيَا بهَا» . رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو دَاوُد
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মাক্কার কাফিরগণ যখন বদরে তাদের বন্দীদের মুক্তির জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট মুক্তিপণ পাঠাল, তখন (রাসূল (ﷺ) এর কন্যা) যায়নাব (রাঃ) তার স্বামী আবুল ‘আস-এর মুক্তির জন্যও কিছু মাল পাঠালেন। তন্মধ্যে একটি হার ছিল যার মালিক ছিলেন খাদীজাহ্ (রাঃ)। আবুল ‘আস-এর সাথে যায়নাব-এর বিয়ের সময় বিবি খাদীজাহ্ উপহার স্বরূপ হারটি যায়নাব (রাঃ)-কে দিয়েছিলেন।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হারটি দেখে (বিবি খাদীজার স্মৃতিচারণে) অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন এবং সহাবীগণকে বললেন, যদি তোমরা সমীচীন মনে কর তাহলে যায়নাবের কয়েদি (আবুল 'আস) -কে ছেড়ে দাও এবং যায়নাব যে সমস্ত ধন-সম্পদ পাঠিয়েছে তাও তাকে ফেরত দিয়ে দাও।এতে সহাবীগণ সম্মতি প্রকাশ করলে, আবুল ‘আস মুক্ত হয়ে গেল। অবশ্য তাকে মুক্তি দেয়ার সময় নবী (ﷺ) তার নিকট হতে এ অঙ্গীকার নিয়েছিলেন যে, যায়নাবকে মাদীনায় তাঁর নিকট আসার পথে যেন বাধা সৃষ্টি না করে।অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যায়দ ইবনু হারিসাহ্ ও একজন আনসারীকে মাক্কায় পাঠালেন এবং তাদেরকে বলে দিলেন, তোমরা মাক্কার অনতিদূরে (প্রায় আট কিলোমিটার দূরে তান’ঈম-এর নিকটবর্তী) “ইয়া’জাজ” নামক স্থানে অবস্থান করবে। যায়নাব সে পর্যন্ত এসে পৌঁছলে তোমরা উভয়ে তার সঙ্গী হবে এবং তাকে মাদীনায় নিয়ে আসবে।
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ২৬৯২, আহমাদ ২৬৩৬২, ইরওয়া ১২১৬।
