১৯/৭. অধ্যায়ঃ
গনীমাতের সম্পদ বণ্টন এবং তা আত্মসাৎ করা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪০৩০-[৪৬]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪০৩০-[৪৬]
وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: أَعْطَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَهْطًا وَأَنَا جَالِسٌ فَتَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مِنْهُم رَجُلًا وَهُوَ أَعْجَبُهُمْ إِلَيَّ فَقُمْتُ فَقُلْتُ: مَا لَكَ عَنْ فُلَانٍ؟ وَاللَّهِ إِنِّي لَأُرَاهُ مُؤْمِنًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أوْ مُسلما» ذكرَ سَعْدٌ ثَلَاثًا وَأَجَابَهُ بِمِثْلِ ذَلِكَ ثُمَّ قَالَ: «إِنِّي لَأُعْطِي الرَّجُلَ وَغَيْرُهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُ خَشْيَةَ أَنْ يُكَبَّ فِي النَّارِ عَلَى وَجْهِهِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُمَا: قَالَ الزُّهْرِيُّ: فترى: أَن الْإِسْلَام الْكَلِمَة وَالْإِيمَان الْعَمَل الصَّالح
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্বক্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদল লোককে (হুনায়ন যুদ্ধের গনীমাত) বণ্টন করছিলেন, আর সেখানে আমি বসা ছিলাম। কিন্তু তিনি (ﷺ) তাদের মধ্যে এমন একজনকে (জুআইল-কে) দিলেন না। অথচ আমার অনুমান, সে লোকটিই ছিল তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ও যোগ্য ব্যক্তি। আমি দাঁড়িয়ে বললাম : (হে আল্লাহর রাসূল!) আপনি অমুককে এই মাল থেকে বঞ্চিত করার কারণ কি? আল্লাহর কসম! আমি তো তাকে মুমিন হিসেবেই জানি। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: বরং মুসলিম (বলো)। এভাবে সা'দ (রাঃ) কথাটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করলে তিনি (ﷺ) –ও তিনবার তাকে অনুরূপ উত্তর দিলেন।অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: (শুনো!) আমি অবশ্যই ব্যক্তি বিশেষকে দান করি, যদিও অন্য লোক আমার নিকট অধিক প্রিয় হয়ে থাকে। এ আশঙ্কায় এরূপ করি, যেন আল্লাহ তা'আলা তাকে উপুড় করে জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ না করে ফেলেন।বুখারী ও মুসলিম-এর অপর বর্ণনাতে আছে— ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেছেন: আমরা মনে করি ‘ইসলাম’ হলো মুখে কালিমাহ্ উচ্চারণের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেয়া, আর 'ঈমান' হলো নেক ‘আমাল (বাস্তবায়ন) করা।
[১] সহীহ : বুখারী ২৭, মুসলিম ১৫০, আহমাদ ১৫৭৯।
