২০/০. অধ্যায়ঃ
শিকার ও যবেহ প্রসঙ্গে - প্রথম অনুচ্ছেদ
হারামের বাইরে মুহরিম ছাড়া অন্যদের জন্য শিকার করা হালাল। আর ভক্ষণযোগ্য প্রাণী কেবল শিকারীর জন্য শিকার করা বৈধ। আল্লাহ সুবহানাহূ ওয়া তা’আলা বলেন: (وَإِذَا حَلَلْتُمْ فَاصْطَادُوا) ’’...যখন তোমরা ইহরাম মুক্ত হবে তখন শিকার করতে পার...’’- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ২)। আল্লাহ তা’আলা আরো বলেন, (وَحُرِّمَ عَلَيْكُمْ صَيْدُ الْبَرِّ مَا دُمْتُمْ حُرُمًا) ’’...তোমরা যতক্ষণ ইহরামে থাকবে ততক্ষণ স্থলে শিকার তোমাদের জন্য হারাম...’’- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ৯৬)।এখানে আমর বা নির্দেশসূচক শব্দ দ্বারা মুস্তাহাব উদ্দেশ্য, কেননা তা (শিকার করা একটি উপার্জন এবং এর দ্বারা সৃষ্টিকুলের উপকার হয়, অতএব তা) বৈধ। আসলে এখানে মূল বিষয় হলো আল্লাহ তা’আলার কথা: (وَمَا عَلَّمْتُمْ مِنَ الْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ اللهُ) ’’...শিকারী পশু-পাখি যাদেরকে তোমরা শিকার শিখিয়েছ আল্লাহ তোমাদেরকে যা শিখিয়েছেন তা থেকে তোমরা তাদেরকে শিখিয়ে থাক...’’- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ৪)। অর্থাৎ তোমরা যে সকল প্রাণীকে শিকার করার উপর প্রশিক্ষণ দিয়েছ যথাক্রমে কোন হিংস্র প্রাণী, পাখি, কুকুর, চিতাবাঘ, বাজ পাখিসহ অন্যান্য প্রাণী যদি শিকার করে তোমাদের জন্য বহন করে নিয়ে আসে তবে তা থেকে তোমরা খেতে পার। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪০৬৯-[৬]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪০৬৯-[৬]
وَعَن عَائِشَة قَالَت: قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هُنَا أَقْوَامًا حَدِيثٌ عَهْدُهُمْ بِشِرْكٍ يَأْتُونَنَا بِلُحْمَانٍ لَا نَدْرِي أَيَذْكُرُونَ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهَا أَمْ لَا؟ قَالَ: «اذْكُرُوا أَنْتُم اسمَ اللَّهِ وكلوا» . رَوَاهُ البُخَارِيّ
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! এখানে এমন কিছুসংখ্যক লোক বাস করে যারা শিরকের নিকটবর্তী, তারা অনেক সময় আমাদের কাছে গোত নিয়ে আসে। কিন্তু আমরা জানি না, তারা তাতে ‘বিস্মিল্লা-হ পড়ে (যবেহ করে) কি-না। তিনি (ﷺ) বললেন, এমতাবস্থায় তোমরা নিজেরা আল্লাহর নাম নাও এবং খাও।
[১] সহীহ : সহীহুল বুখারী ৬৯৬৩, সুনান আবূ দাঊদ ২৮৩১, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৯৩৬১, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ২৩৪৬।
