২১/১. অধ্যায়ঃ
অতিথি আপ্যায়ন প্রসঙ্গে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪২৪৯-[৭]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪২৪৯-[৭]
وَعَنْ أَنَسٍ أَوْ غَيْرِهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَأْذَنَ عَلَى سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ فَقَالَ: «السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ» فَقَالَ سَعْدٌ: وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَلَمْ يُسْمِعِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى سَلَّمَ ثَلَاثًا وَرَدَّ عَلَيْهِ سَعْدٌ ثَلَاثًا وَلَمْ يُسْمِعْهُ فَرَجَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاتَّبَعَهُ سَعْدٌ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي مَا سَلَّمْتَ تَسْلِيمَةً إِلَّا هِيَ بِأُذُنِي: وَلَقَدْ رَدَدْتُ عَلَيْكَ وَلَمْ أُسْمِعْكَ أَحْبَبْتُ أَنْ أَسْتَكْثِرَ مِنْ سَلَامِكَ وَمِنَ الْبَرَكَةِ ثُمَّ دَخَلُوا الْبَيْتَ فَقَرَّبَ لَهُ زَبِيبًا فَأَكَلَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا فَرَغَ قَالَ: «أَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ وَأَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ» . رَوَاهُ فِي «شَرْحِ السُّنَّةِ»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অথবা অন্য কেউ বর্ণনা করেন। একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সা'দ ইবনু 'উবাদাহ্ (রাঃ)-এর নিকট (গৃহে প্রবেশের) অনুমতি চেয়ে “আস্সালামু ‘আলায়কুম ওয়া রহমাতুল্ল-হ” বললেন। উত্তরে সা'দ (রাঃ) “ ওয়া 'আলাইকুমুস্ সালামু ওয়া রহমাতুল্ল-হ” বললেন। কিন্তু (আস্তে জবাব দিয়ে) নবী (ﷺ)-কে শুনালেন না। এমনকি নবী (ﷺ) তিনবার সালাম করলেন এবং সা'দ (রাঃ)-ও তিনবার জবাব দিলেন। কিন্তু (একবারও) তাঁকে সালামের জবাব শুনালেন না, ফলে (সালামের জবাব না পাওয়ায়) নবী (ﷺ) প্রত্যাবর্তন করলেন। তখন সা'দ (রাঃ) তাঁর পশ্চাতে ছুটে এসে বললেন : হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা- মাতা আপনার প্রতি কুরবান হোক, আপনি যতবারই সালাম করেছেন, আমার উভয় কান তা শুনেছে, আর আমি তার জবাবও সাথে সাথে দিয়েছি; কিন্তু আমি (স্বেচ্ছায়) তা আপনাকে শুনাইনি আমার ইচ্ছা ছিল। আপনার সালাম ও বারাকাত (-এর দোয়া) বেশি বেশি লাভ করার।অতঃপর সকলেই গৃহে প্রবেশ করলেন এবং সা'দ (রাঃ) তাঁর সম্মুখে কিশমিশ পেশ করলেন। আল্লাহর নবী (ﷺ) তা খেলেন। খাওয়া শেষ করে তিনি (ﷺ) বললেন : তোমাদের খাদ্য হতে নেক্কার লোকেরা আহার করুক, মালায়িকাহ্ (ফেরেশ্তাগণ) তোমাদের জন্য ইস্তিগফার করুক এবং সায়িম (রোযাদারগণ) তোমাদের কাছে ইফত্বার করুক।
[১] সহীহ : শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩৩২০, আস্ সুনানুন কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৫০৬৯, তাহক্বীক মুসনাদে আহামাদ ১২৪২৯, মুসান্নাফ ‘আবদুর রায্যাক ১৯৪২৫।
