২১/২. অধ্যায়ঃ
নিরুপায়ের খাওয়া সম্পর্কে (ব্যক্তির পক্ষে কখন মৃত প্রাণী খাওয়া বৈধ হয়) - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪২৬১-[১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪২৬১-[১]
عَن الفجيع العامري أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَا يَحِلُّ لَنَا مِنَ الْمِيتَةِ؟ قَالَ: «مَا طعامُكم؟» قُلنا: نَغْتَبِقُ وَنَصْطَبِحُ قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: فَسَّرَهُ لِي عُقْبَةُ: قَدَحٌ غُدْوَةً وَقَدَحٌ عَشِيَّةً قَالَ: «ذَاكَ وَأَبِي الْجُوعُ» فَأَحَلَّ لَهُمُ الْمَيْتَةَ عَلَى هَذِهِ الحالِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
ফুজায়‘উল ‘আমিরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলেন : আমাদের পক্ষে মৃত (প্রাণী) খাওয়া কখন হালাল হবে? তিনি (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন : তোমাদের খাদ্য কী পরিমাণ আছে? আমরা বললাম, গাবুক ও সাবূহ। বর্ণনাকারী আবূ নু'আয়ম বলেন, ‘উক্ববাহ্ আমাকে এর ব্যাখ্যায় বলেছেন : (গাবুক) সকালে এক পেয়ালা এবং (সাবূহ) বিকালে এক পেয়ালা দুধ। এ কথা শুনে তিনি (ﷺ) বললেন : আমার পিতার কসম! এ খাদ্য তো ক্ষুধারই নামান্তর। ফলে তিনি (ﷺ) এমতাবস্থায় তাদের জন্য মৃত খাওয়ার অনুমতি দিলেন।
[১] সানাদ য‘ঈফ : সুনান আবূ দাঊদ ৩৮১৭, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২০১৩০, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১৫২২৩, শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩০০৬। যঈফ হওয়ার কারণ, সনদে ‘উকবাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব নামের একজন বর্ণনাকারী আছেন। ইমাম যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, তাকে চেনা যায় না। আর তার হদীস সহীহ নয়। আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি বলছি, সে এরূপই আর তার পিতা ওয়াহ্ব সেও মাজহূল তথা তাকেও চেনা যায় না। এ ব্যাপারে ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ আমি তাকে চিনি না। দেখুন- আল জারহু ওয়াত্ তা‘দীল। - * [বিঃ দ্রঃ এ অধ্যায়ে প্রথম অনুচ্ছেদ ও তৃতীয় অনুচ্ছেদ নেই।]
