২১/৪. অধ্যায়ঃ
নাকি ও নাবিজ সম্পর্কীয় বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
নিহায়াতে এসেছে, নাক্বী’ হলো এমন পানীয় যা আঙ্গুর বা অন্যান্য হতে প্রস্তুত করা হয় যা পানিতে ভিজানো হয় পাকানো ছাড়া। আর খেজুর, আঙ্গুর, কিসমিস, মধু, গম ও যব ইত্যাদি ভিজিয়ে যে মিঠা শরবত প্রস্তুত করা হয় তা নবীয। যেমন বলা হয়, আমি আঙ্গুর ও খেজুরকে নবীয করেছি যখন পানিতে ভিজিয়ে রেখেছি যাতে নবীয হয়। এ নবীয অনেক উপকার বিশেষ করে শক্তি বৃদ্ধিতে।মীরাক (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এটা সর্বসম্মতক্রমে হালাল যতক্ষণ পর্যন্ত মিষ্টি থাকে আর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় না পৌঁছে। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সব নেশাই হারাম। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪২৯০-[৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪২৯০-[৫]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نهى عَن الدُّبَّاء والحنتم والمرفت وَالنَّقِيرِ وَأَمَرَ أَنْ يُنْبَذَ فِي أَسْقِيَةِ الْأَدَمِ. رَوَاهُ مُسلم
ইবন উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কদুর খোলস, সবুজ মটকা, আলকাতরা লাগানো পাত্র এবং খেজুর বৃক্ষের মূলের পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন এবং চামড়ার মশকে নবীয প্রস্তুত করতে আদেশ করেছেন।
[১] সহীহ : মুসলিম (১৯৯৬)-৪৪, নাসায়ী ৫৬৩৭, আবূ দাঊদ ৩৬৯০, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৩৭৮১, মুসনাদে আহমাদ ৫৪৯৪, দারিমী ২১১২, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৭৩১, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৫২৮০।
