২৩/০. অধ্যায়ঃ

চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪৫৩৭-[২৪]

وَعَن أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَأَلَهَا: «بمَ تستَمشِينَ؟» قَالَت: بالشُّبْرمِ قَالَ: «حارٌّ حارٌّ» . قَالَتْ: ثُمَّ اسْتَمْشَيْتُ بِالسَّنَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ أَنَّ شَيْئًا كَانَ فِيهِ الشِّفَاءُ مِنَ الْمَوْتِ لَكَانَ فِي السَّنَا» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيث حسن غَرِيب

আসমা বিনতু ‘উমায়স (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন : তোমরা জোলাবের জন্য কি জিনিস ব্যবহার করো? আসমা বললেন : শুক্রম ব্যবহার করি। তিনি (ﷺ) বললেন : তা তো অত্যধিক গরম-ভীষণ গরম। আসমা বলেন, পরে আমি সানা দ্বারা জোলাব নেই। তখন নবী (ﷺ) বললেন : যদি মৃত্যু হতে রক্ষার কোন ঔষধ থাকত, তবে সানা-এর মধ্যেই থাকত। (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ; আর ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : হাদীসটি হাসান ও গরীব)

[১] য‘ঈফ : তিরমিযী ২০৮১, ‘বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০৬৪। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে ‘‘উতবাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ’’ নামের বর্ণনাকারী যার নাম যুর্‘আহ্। ইনি অপরিচিত (মাজহূল), এ সানাদটি আরেকটি দোষ হলো এতে মুন্ক্বতি‘ আছে, ‘উতবাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এবং আসমা -এর মাঝে একজন বর্ণনাকারী আছে, যার নাম উল্লেখ নেই। দেখুন- হিদায়াতুর্ রুওয়াত ৪/২৭২ পৃঃ, হাঃ/ ৪৪৬৩, ইবনু মাজাহ ৪৫৩৭, য‘ঈফুল জামি‘উস্ সগীর ৪৮০৭।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন