২৫/১০. অধ্যায়ঃ
জিহ্বার হেফাজত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে - প্রথম অনুচ্ছেদ
জিহ্বার হিফাযাত বলতে অশ্লীল-অবাঞ্ছিত কথা-বার্তা ইত্যাদি থেকে জিহ্বাকে রক্ষা করা। গীবত বলা হয় তোমার মুসলিম ভাইয়ের মধ্যে বিদ্যমান কোন দোষ তার অসাক্ষাতে আলোচনা করা যা সে শুনলে তা অপছন্দ করবে। তার মধ্যে যদি দোষটি না থাকে তবে সেটা হবে বুহতান বা অপবাদ।আরবীতেاَلشَّتَمُবলা হয় গালি প্রদান করা, অভিসম্পাত করা। এতে জীবিত-মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত সকলেই এর অন্তর্ভুক্ত।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪৮২২-[১১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪৮২২-[১১]
وَعَنْهُ: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَجِدُونَ شَرَّ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ذَا الْوَجْهَيْنِ الَّذِي يَأْتِي هَؤُلَاءِ بوجهٍ وَهَؤُلَاء بوجهٍ» . مُتَّفق عَلَيْهِ
উক্ত রাবী (আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা কেয়ামতের দিন সবচেয়ে খারাপ লোক তাকে পাবে, যে দ্বিমুখী (কপট)। সে এক মুখ নিয়ে এদের কাছে যায় এবং অপর মুখ নিয়ে ওদের কাছে যায়।
[১] সহীহ : বুখারী ৬০৫৮, ৭১৭৯; মুসলিম ১৯৯-(২৫২৬), ৯৮-(২৫২৬); আবূ দাঊদ ৪৮৭২, তিরমিযী ২১১১, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২৯৪৭, সহীহ আল আদাবুল মুফরাদ ৩১৬, মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৬৩৩, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ২০৪৫৩, আহমাদ ৯৯৯৭, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ৬২৬৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৭৫৪, হিলইয়াতুল আওলিয়া ৮/২৫৮, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৫০৮৫, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১১৮৪, আস্ সুনানুল কুবরা ১৭১০৫।
