২৫/১০. অধ্যায়ঃ

জিহ্বার হেফাজত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪৮৭৪-[৬৩]

وَعَن أبي سعيدٍ وجابرٍ قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْغِيبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزِّنَا» . قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ الْغِيبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزِّنَا؟ قَالَ: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيَزْنِي فَيَتُوبُ فَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِ» - وَفِي رِوَايَةٍ: «فَيَتُوبُ فَيَغْفِرُ اللَّهُ لَهُ وَإِنَّ صَاحِبَ الْغِيبَةِ لَا يُغْفَرُ لَهُ حَتَّى يغفِرَها لَهُ صَاحبه»

আবূ সা'ঈদ আল খুদরী ও জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তাঁরা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : “গীবাত” ব্যভিচারের চেয়েও ভয়ঙ্কর। সহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন : হে আল্লাহর রাসূল! গীবাত ব্যভিচার হতে ভয়ঙ্কর কিভাবে হতে পারে? তিনি (ﷺ) বলেছেন : মানুষ ব্যভিচার করে, অতঃপর তাওবাহ্ করে এবং আল্লাহ তা'আলা অনুগ্রহ করে তাওবাহ্ ক্ববূল করেন। অপর এক বর্ণনায় আছে যে, অতঃপর ব্যভিচারী তাওবাহ্ করে, আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করেন; কিন্তু পরোক্ষ নিন্দাকারীকে আল্লাহ তা'আলা ক্ষমা করেন না, যতক্ষণ না যার নিন্দা করা হলো সে ক্ষমা করে।

[১] য‘ঈফ জিদ্দান (খুবই দুর্বল) : শু‘আবুল ঈমান ৬৭৪১, য‘ঈফুল জামি‘ ২২০৪, য‘ঈফ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ১৬৯০। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে ‘‘আববাদ ইবনু কাসীর’’ নামের রাবী মাতরূক। ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ সে অনেক মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করেছে। য‘ঈফাহ্ ১৮৪৬।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন