২৫/১২. অধ্যায়ঃ
ঠাট্টা ও কৌতুক প্রসঙ্গে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪৮৮৯-[৬]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪৮৮৯-[৬]
وَعَنْهُ أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ كَانَ اسْمه زَاهِر بن حرَام وَكَانَ يهدي النَّبِي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الْبَادِيَةِ فَيُجَهِّزُهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ زَاهِرًا بَادِيَتُنَا وَنَحْنُ حَاضِرُوهُ» . وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحِبُّهُ وَكَانَ دَمِيمًا فَأَتَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا وَهُوَ يَبِيعُ مَتَاعَهُ فَاحْتَضَنَهُ مِنْ خلفِه وَهُوَ لَا يُبصره. فَقَالَ: أَرْسِلْنِي مَنْ هَذَا؟ فَالْتَفَتَ فَعَرَفَ النَّبِيَّ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسلم فَجعل لَا يألوا مَا أَلْزَقَ ظَهْرَهُ بِصَدْرِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ عَرَفَهُ وَجَعَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ يَشْتَرِي الْعَبْدَ؟» فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِذًا وَاللَّهِ تَجِدُنِي كَاسِدًا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَكِنْ عِنْدَ اللَّهِ لَسْتَ بِكَاسِدٍ» رَوَاهُ فِي «شرح السّنة»
উক্ত রাবী (আনাস (রাঃ)) হতে বর্ণিতঃ
যাহির ইবনু হারাম” নামক এক বনভূমির বাসিন্দা নবী (ﷺ)-এর জন্য বনভূমি থেকে উপঢৌকন হিসেবে কিছু নিয়ে আসত। সে যখন চলে যাওয়ার মনস্থ করত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার পথের সম্বল গোছগাছ করে দিতেন। একদিন নবী (ﷺ) তার সম্পর্কে বললেন : যাহির আমাদের জন্য বনভূমির গোমস্তা, আর আমরা তার শহরের গোমস্তা। নবী (ﷺ) তাঁকে ভালোবাসতেন। সে ছিল দেখতে কুৎসিত। একদিন নবী (ﷺ) বাজারে এলেন, তখন যাহির তার পণ্য সামগ্রী বিক্রি করছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পিছন থেকে তাকে বুকে চেপে ধরলেন, ফলে সে তাঁকে দেখতে পেল না। যাহির বলল : কে? আমাকে ছেড়ে দাও। সে আড়চোখে লক্ষ্য করে নবী (ﷺ)-কে চিনতে পারল। তখন সে তার পিঠকে নবী (ﷺ)-এর বুকের সাথে বারাকাতের জন্য মিলাতে চেষ্টা করে সফল হলো।তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতে লাগলেন, “গোলাম কিনবে কে?” যাহির এটা শুনে বলল : হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর ক্বসম, আপনি আমাকে অকেজো পাবেন। তখন নবী (ﷺ) বললেন, কিন্তু আল্লাহ তাআলার নিকট তুমি অকেজো নও।
[১] সহীহ : শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩/৪৫৮, আহমাদ ৩/১৬১, শামায়িলে তিরমিযী ২৩৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ২২৭৬।
