২৫/১৭. অধ্যায়ঃ
সাক্ষাৎ ত্যাগ, সম্পর্কচ্ছেদ ও দোষান্বেষণে নিষেধাজ্ঞা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জিহ্বার হিফাযাত বলতে অশ্লীল-অবাঞ্ছিত কথা-বার্তা ইত্যাদি থেকে জিহ্বাকে রক্ষা করা। গীবাত বলা হয় তোমার মুসলিম ভাইয়ের মধ্যে বিদ্যমান কোন দোষ তার অসাক্ষাতে আলোচনা করা যা সে শুনলে তা অপছন্দ করবে। তার মধ্যে যদি দোষটি না থাকে তবে সেটা হবে বুহতান বা অপবাদ।আরবীতে (আরবি) বলা হয় গালি প্রদান করা, অভিসম্পাত করা। এতে জীবিত-মৃত, উপস্থিত- অনুপস্থিত সকলেই এর অন্তর্ভুক্ত।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫০৫২-[২৬]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫০৫২-[২৬]
وَعَنْ جَابِرٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنِ اعْتَذَرَ إِلَى أَخِيهِ فَلَمْ يَعْذِرْهُ أَوْ لَمْ يَقْبَلْ عُذْرَهُ كَانَ عَلَيْهِ مثلُ خَطِيئَة صَاحب المكس» . رَوَاهُمَا الْبَيْهَقِيُّ فِي «شُعَبِ الْإِيمَانِ» وَقَالَ: الْمَكَّاسُ: الْعَشَّارُ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি নিজের কোন মুসলিম ভাইয়ের কাছে ওযর-আপত্তি করে এবং সে মুসলিম যদি তাকে অপারগ বা ওযরযোগ্য মনে না করে অথবা যদি তাকে ক্ষমা না করে, তবে যালীম তহসীলদারের মতো পাপী হবে।
[১] য‘ঈফ : ইবনু মাজাহ ৩৭১৮, শু‘আবুল ঈমান ৮৩৩৪, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৮৬৪৪, আল মু‘জামুল কাবীর ২১১৩, য‘ঈফ আত্ তারগীব ১৬৬৯। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে ‘‘ইবনু জুরায়জ’’ নামে একজন মুদাল্লিস রাবী আছে যে, ‘‘আন’’ দ্বারা হাদীস বর্ণনা করেছে। বিস্তারিত দেখুন- য‘ঈফাহ্ ১৯০৭।
