২৬/১. অধ্যায়ঃ
গরিবদের ফজিলত ও নবী (ﷺ)-এর জীবন-যাপন - প্রথম অনুচ্ছেদ
ফাযীলাত বা মর্যাদা দ্বারা উদ্দেশ্য অতিরিক্ত সাওয়াব ও পুরস্কার। ধন-সম্পদের মাধমে অর্জিত মর্যাদার কথা বুঝানো হয়নি। নাবী (সা.)-এর জীবন ’ইবাদতের ক্ষেত্রে ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং বর্ণাঢ্য। কিন্তু জীবনের সুখ-সামগ্রী ও খানাপিনায় তিনি ছিলেন দরিদ্রের মতো।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫২৪১-[১১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫২৪১-[১১]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: لَقَدْ رَأَيْتُ سَبْعِينَ مِنْ أَصْحَابِ الصُّفَّةِ مَا مِنْهُمْ رَجُلٌ عَلَيْهِ رِدَاءٌ إِمَّا إِزَارٌ وَإِمَّا كِسَاءٌ قَدْ رُبِطُوا فِي أَعْنَاقِهِمْ فَمِنْهَا مَا يَبْلُغُ نِصْفَ السَّاقَيْنِ وَمِنْهَا مَا يَبْلُغُ الْكَعْبَيْنِ فَيَجْمَعُهُ بِيَدِهِ كَرَاهِيَةَ أَن ترى عَوْرَته . رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (442) ۔ (صَحِيح)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নিশ্চয় আমি “সুফ্ফাবাসীদের” মধ্য হতে সত্তরজন লোককে দেখেছি যে, তাঁদের কোন একজনের কাছেও একখানা চাদর ছিল না। হয়তো একখানা লুঙ্গি ছিল অথবা একখানা কম্বল যা তাঁরা নিজেদের ঘাড়ের সাথে পেঁচিয়ে রাখত। তা কারো অর্ধ নলা পর্যন্ত, আবার কারো টাখনু পর্যন্ত পৌঁছত। আর তাঁরা তাকে নিজের হাত দ্বারা ধরে রাখত- এ আশঙ্কায় যেন সতর দৃষ্টিগোচর হয়ে না পড়ে। বিভিন্ন অভিযানে গমন করতেন। এদের সত্তরজন ছিলেন স্থায়ী সদস্য। রাবী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাদের জীবনের অবস্থায়ই বর্ণনা করছেন। আল্লাহ তা'আলা তাদের হাক্বের ব্যাপারে এ আয়াত নাযিল করেন : (আরবি) “(দান) ঐ অভাবীদের জন্য যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে, তাদের পক্ষে জমিনের কোথাও বিচরণ করা সম্ভব নয়। যাচঞা থেকে বিরত থাকার দরুন অজ্ঞরা তাদের ধনী মনে করে, কিন্তু তোমরা তাদের লক্ষণ দেখে তাদের চিনে নিতে পারবে। তারা ব্যাকুল হয়ে লোকেদের কাছে যাচঞা করে (চেয়ে) বেড়ায় না।” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৭৩)
সহীহ বুখারী ৪৪২, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩৩১৫।
